প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় ঝিনাইদহ শহরের জমিলা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী পূজাকে সোমবার সন্ধ্যায় ছুরিকাঘাত করে লিপু নামের এক বখাটে। এরপর থেকে পূজা ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। সোমবার গভীর রাতে লিটুকে প্রধান আসামি করে পাঁচজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন ওই ছাত্রীর বাবা বিপুল কুমার মজুমদার। এরপর পুলিশ তার দুই ‘সহযোগী’ রুহুল আমিন ও রুপাকে আটক করে।
বুধবার ভোরে সদর উপজেলার নৃ সিংহপুর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজবাহার আলী শেখ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, আসামি লিটু নৃ-সিংহপুর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে অবস্থান করছে এমন সংবাদে সেখানে অভিযানে যায় পুলিশ।

“এ সময় লিটু পুলিশকে লক্ষ্য করে দুটি হাতবোমা ছুড়ে মারে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এক পর্যায়ে লিটুকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।” ঘটনাস্থল থেকে কয়েকটি ছুরি ও তিনটি হাতবোমা উদ্ধার করা হয়েছে।

Post a Comment
Thenks for your comments.