Halloween Costume ideas 2015

Behiond The Seen of Bangladesh

Articles by "খেলাধুলা"



 মাশরাফি মুর্তজা, সাকিব আল হাসান, সৌম্য সরকার, মুস্তাফিজুর রহমান ও মেহেদী হাসান মিরাজ...। এক নিঃশ্বাসে যাদের নাম বলা হল তারা বাংলাদেশের ক্রিকেটের এক একটি রত্ন। এ নিয়ে কারও আপত্তি থাকার কথা নয়। আরেকটি অনাপত্তির বিষয় হল, এরা সবাই বৃহত্তর খুলনা অঞ্চলের খেলোয়াড়।

শুধু বর্তমান নয়, নিকট ও সুদূর অতীতের দিকে তাকালে দেখা যাবে খুলনা খেলোয়াড়দের খনি। ক্ষণজন্মা খেলোয়াড়প্রসবা এই অঞ্চলে যেমন বইছে রূপসা, চিত্রা, কপোতাক্ষ, নবগঙ্গা নদী, তেমনি খেলোয়াড় তৈরির ফল্গ–ধারাও বইছে এখানে। বাংলাদেশের ক্রিকেটে স্বর্ণসাফল্যের মিছিলে সম্মুখ সারিতে রয়েছেন খুলনা অঞ্চলের বহু তারকা খেলোয়াড়।

ওয়ানডে ও টি ২০ অধিনায়ক মাশরাফি মুর্তজা থেকে শুরু করে সর্বশেষ ক্রেজ ‘বিস্ময় বালক’ মেহেদী হাসান মিরাজ এর উজ্জ্বল উদাহরণ। মাগুরা থেকে উঠে এসেছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান, দেশের সর্বশেষ দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্ত জেলা ‘ব্যাঘ্রতদ’ খ্যাত সাতক্ষীরা বিস্ময়ের জন্ম দিয়েছে ‘দ্য ফিজ’ মুস্তাফিজুর রহমান এবং সৌম্য সরকারের মতো ক্রিকেটারের।

বাঁ-হাতি কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান এক বছরের কিছু সময় আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজের অভিষেকলগ্ন রাঙিয়েছেন দুরন্ত গতির বোলিং দিয়ে। তার আগে জাতীয় দলে অভিষেক হয় অলরাউন্ডার সৌম্য সরকারের। বছরের শেষে এসে আবারও চমক। এই চমকের নাম মেহেদী হাসান মিরাজ। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ডেব্যু টেস্ট সিরিজে ১৯ উইকেট নিয়ে যিনি দেশে-বিদেশে ক্রিকেটবোদ্ধাদের মুগ্ধতা কেড়ে নিয়েছেন। তার ঘূর্ণি জাদুতেই কুপোকাত হয়ে ইংল্যান্ড ঢাকা টেস্টে ধরাশায়ী হয়েছে তিন দিনে।

অভিষেকেই এমন মোহনীয় বোলিং কারিশমা রাতারাতি বদলে দিয়েছে তার পৃথিবী। খুলনার খালিশপুরের হাউজিং স্টেট এলাকার ছেলে মিরাজ এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে নন্দিত তরুণ। ইংল্যান্ডের ক্রিকেটবোদ্ধারাও কুর্নিশ জানাচ্ছেন তার বোলিং প্রতিভাকে। স্বর্ণখনির মতো খুলনা যেন খেলোয়াড়দের খনি।

খুলনা বিভাগকে বলা হয় ক্রীড়াবিদদের উর্বরভূমি। নন্দিত ক্রিকেটারদের পাশাপাশি এ অঞ্চল থেকে উঠে এসেছেন অনেক তারকা ফুটবলার, অ্যাথলেট, সাঁতারু ও শুটার। তবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে সবচেয়ে বেশি আলো ছড়িয়েছেন এ অঞ্চলের ক্রিকেটাররা। সাম্প্রতিক সময়ে সব মিলিয়ে খুলনা বিভাগের ১৩-১৪ জন ক্রিকেটার রয়েছেন যারা নিয়মিত জাতীয় দলে খেলছেন বা জাতীয় দলে যাওয়া-আসার মধ্যে আছেন।

অবসরে গেছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমান নির্বাচক মি. ফিফটিখ্যাত কুষ্টিয়ার হাবিবুল বাশার। যশোরের সৈয়দ রাসেলের অলিখিত অবসর হয়ে গেছে। আবদুর রাজ্জাক ঘরোয়া ক্রিকেটে এখনও আলো ছড়াচ্ছেন। এ অঞ্চল থেকে আরও উঠে এসেছেন যশোরের তুষার ইমরান, মেহেরপুরের ইমরুল কায়েস, মাগুরার সাকিব আল হাসান, বাগেরহাটের রুবেল হোসেন, সাতক্ষীরার রবিউল ইসলাম শিবলু, ঝিনাইদহের আল-আমিন হোসেন ও কুষ্টিয়ার এনামুল হক বিজয়। এ বছর যোগ হল আরও দুটি নাম। খুলনার নূরুল হাসান সোহান ও মেহেদী হাসান মিরাজ। কী জাদু আছে বৃহত্তর খুলনা অঞ্চলের মাটিতে যে, এখান থেকে এমন প্রতিভাধর খেলোয়াড় উঠে আসে!

বর্তমানে অন্যতম নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন মনে করেন, ‘এ নিয়ে গবেষণা করা যেতে পারে।’ কোচ সরওয়ার ইমরানের ধারণা, এই অঞ্চলের মানুষ ক্রীড়াপ্রেমী।

সরওয়ার ইমরান বলেন, ‘বিশেষ কোনো কারণ বলা কঠিন। আমার যেটা মনে হয়, এই অঞ্চলের ছেলেরা খেলার প্রতি বেশি আগ্রহী। এখানকার ছেলেদের মানসিকতা অনেক শক্ত। শারীরিকভাবেও তারা বেশি ফিট। অন্য কোনো কারণও থাকতে পারে। এ অঞ্চলের কোচরা হয়তো অনেক ভালো। এখানকার সংগঠকরা দক্ষ এবং নিবেদিতপ্রাণ হতে পারেন। এছাড়া পরিবেশটাও বড় একটা পার্থক্য গড়ে দেয়।’

সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার বলেন, ‘খুলনা বিভাগ থেকে এত ক্রিকেটার কেন উঠে আসে এটা গবেষণার বিষয় হতে পারে। এত ছোট একটা দেশ, সেখানেও নির্দিষ্ট একটি অঞ্চলের ছেলেরা জাতীয় দলে দাপটের সঙ্গে খেলে যাচ্ছে। তা-ও ধারাবাহিকভাবে। এই অঞ্চলের মাটিও হয়তো খেলোয়াড়দের উপযোগী। খুলনা ক্রিকেটের আত্মা। ক্রিকেটার তৈরির অনেক কারণ থাকতে পারে। এখানকার মাঠে ছেলেরা অনেক বেশি ক্রিকেট খেলে। খেলায় তারা হয়তো বেশি সময় দেয়। শুধুই যে খেলোয়াড় উঠে আসে তা কিন্তু নয়, সবাই ভালোমানের এবং দীর্ঘদিন জাতীয় দলে খেলার পণ করেই আসে।’

এ অঞ্চলের সর্বশেষ ক্রেজ মেহেদী হাসান মিরাজ আপাতত এ নিয়ে বিশ্লেষণে যেতে চাইলেন না। কীভাবে জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার পথ তৈরি করলেন জানতে চাইলে মিরাজ বলেন, ‘আমার লক্ষ্যই ছিল ক্রিকেটার হওয়া।’

মাশরাফি বলেছেন, ‘মানসিকতাই এই অঞ্চলের খেলোয়াড়দের ক্রিকেটার বানিয়ে তোলে।’

যশোরের কিউরেটর জাহিদ রেজা বাবু এবার চট্টগ্রাম টেস্টে দারুণ উইকেট বানিয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এই অঞ্চলের খেলোয়াড়দের মধ্যে বোলারই বেশি। বিশেষ করে পেস বোলার। এখানে একটা ধারাবাহিকতা এসে গেছে। তারকাদের অনুসরণ করতে পছন্দ করে তারা। একজনকে দেখে আরেকজন পেসার হতে চায়। যেমন মাশরাফি পেসার হওয়ার পর অনেকেই এসেছে। ডলার মাহমুদ, সৈয়দ রাসেল, রুবেল হোসেন, আল-আমিন, মুস্তাফিজসহ অনেকেই। এখানকার ছেলেরা পরিশ্রমী। তাদের একটা লক্ষ্য স্থির হয়ে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘এখানে মাটির কোনো গুণ রয়েছে এমন কথা আমি বলব না। বরং এখানকার ছেলেরা সুযোগ-সুবিধা কম পায়। প্রকৃতিগতভাবেই সুইং পায় এরা। কেউ ভালো করলে ছেলেরা তাকে অনুসরণ করে। সৌম্য ব্যাটিংয়ে ভালো করলে হয়তো আরও ব্যাটসম্যান উঠে আসবে এখান থেকে।’

সাংগঠনিক দক্ষতার কথাও তুলে ধরলেন তিনি। জাহিদ রেজা বলেন, ‘এখানকার সংগঠকরা ইতিবাচক। তারা তাদের ছেলেদের জাতীয় দলে দেখতে চান। এবার ঢাকা লীগে মোহামেডানের হয়ে যশোরের হাসানুজ্জামান ঝড়ো ব্যাটিং করেছে। আশা করি, তার মতো আরও ব্যাটসম্যান উঠে আসবে এখান থেকে।’

সূত্র: যুগান্তর

মুশফিকের বরিশাল বুলসের ১৪৯ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ৯ উইকেটের বিশাল জয় পেয়েছে সাকিবের ঢাকা ডায়ানামাইটস। দুই ওপেনার মেহেদি মারুফ এবং কুমার সাঙ্গাকারার আক্রমণাত্মক ব্যাটিং জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেয় ঢাকাকে। 

তারই সুবাদে ২৪ বল হাতে রেখে ৮ উইকেটের বিশাল জয় পেয়েছে ঢাকা ডায়ানামাইটস। 

নবম ওভারে তাইজুল ইসলামের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ২৪ বলে ৩০ রান করে সাজঘরে ফেরেন শ্রিলংকান লিজেন্ড সাঙ্গাকারা। এরপর আরো ক্ষুরধার হয় মেহেদি মারুফের ব্যাট। ম্যাচের শুরুতে নেমে শেষ পর্যন্ত দুর্দান্ত ব্যাটিং করে ৪৫ বলে ৭৫ রান করে  অপরাজিত থাকেন। 

মেহেদী মারুফের সাথে সর্বশেষ যোগ দেয়া মোসাদ্দেক হুসাইন ৫ বলে ১০ রানে অপরাজিত থাকেন। 

সাঙ্গাকারা আউট হলে ব্যাটিংয়ে আসেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। ২৩ বলে ২০ রান করে ১৫তম ওভারের শেষ বলে মনির হুসাইনের বলে আউট হন সাকিব। 

এর আগে, ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৮ রান সংগ্রহ করে মুশফিকের বরিশাল বুলস।  মুশফিক এবং নাফিস দুজনই হাফ সেঞ্চুরি করেছেন।

প্রথম ৮ ওভারের মধ্যে তিন উইকেট হারিয়ে কিছুটা ব্যাকফুটে ছিলো বরিশাল বুলস। এরপর শাহরিয়ার নাফিস এবং মুশফিকুর রহিমের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে স্কোর বোর্ডে যোগ হয় ১৪৮ রান।

৩৪ বলে ৫৪ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলে মোহাম্মাদ শহিদের বলে বোল্ড হয়ে ফিরে যান নাফিস। অপর দিকে ৩৬ বলে ৫০ রানে অপরাজিত থাকেন মুশফিক। তার সাথে ব্যাটিংয়ে যোগ দিয়ে মাত্র ৬ বলে ৩ রান নিয়ে আউট হন থিসারা পেরেরা। এরপর এমরিট ১ রান করে ফিরলে ব্যাটে নামে মেহেদি হাসান।

টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ঢাকার দলপতি সাকিব আল হাসান। বরিশালের হয়ে ব্যাট হাতে ইনিংস শুরু করতে আসেন শামসুর রহমান এবং দিলশান মুনাবেরা। আগে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বরিশাল। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে মোহাম্মদ শহীদের লাফিয়ে উঠা বলের লাইন মিস করেন ওপেনার শামসুর রহমান। স্লিপে দাঁড়ানো মেহেদি মারুফের হাতে ধরা পড়ার আগে শামসুর রহমান করেন ১০ বলে ৬ রান। দলীয় ১০ রানের মাথায় প্রথম উইকেট হারায় বরিশাল।

ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে মুনাবেরাকে ফেরান আন্দ্রে রাসেল। পয়েন্টে নাসির হোসেনের দুর্দান্ত এক ক্যাচে বিদায় নেন ১২ রান করা মুনাবেরা। দলীয় ২৮ রানের মাথায় দ্বিতীয় উইকেটের পতন ঘটে বরিশালের। এরপর জুটি গড়ার চেষ্টা করেন মুশফিক এবং ডেভিড মালন। ইনিংসের অষ্টম ওভারে সাকিবের ঘূর্ণিতে ব্রাভোর হাতে সহজ ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ১৬ রান করা মালন। দলীয় ৪৪ রানের মাথায় বরিশালের তৃতীয় উইকেটের পতন ঘটে। 

নেইমার তার খেলার ধরনের কারণেই বিপাকে পড়েন বলে অনেক দিন ধরেই সমালোচনা হচ্ছে। এমনকি তার কারিকুরিই খেলোয়াড়দের তাকে ফাউল করতে প্ররোচিত করে বলেও অনেকে দাবি করছেন।  

গত ২২ অক্টোবর বার্সেলোনার কাছে হেরে যাওয়ার পর দলটির খেলোয়াড়দের উপর বোতল ছুড়ে মেরেছিল ভ্যালেন্সিয়ার সমর্থকরা। নেইমার তাদের প্ররোচিত করেছিলেন বলে কেউ কেউ অভিযোগ করেছিলেন।

তবে ২০০০ সালে রিয়াল মাদ্রিদে নাম লেখানোর পর বার্সেলোনায় যোগ দেয়া ফিগো মনে করেন, নেইমারের আচরণে কোনো সমস্যা নেই। আর তার কারিকুরি দেখে বিরক্ত হওয়ারও কিছু নেই, বরং মুগ্ধ হওয়া উচিৎ।

ফিগো আরো বলেন, 'এটাই নেইমারের খেলার ধরন। এটা যদি কাউকে বিরক্ত করে, সেটা তাদের সমস্যা'।
'সে সেরা হওয়ার চেষ্টা করছে, এটাই ফুটবল আর এটাই তার খেলার ধরন'।

লিওনেল মেসি, লুইস সুয়ারেজ আর নেইমারের সমন্বয়ে গড়া 'এমএসএন' নামে পরিচিত বার্সেলোনার আক্রমণত্রয়ীর সঙ্গে রিয়াল মাদ্রিদের গ্যারেথ বেল, করিম বেনজেমা ও ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর (বিবিসি) তুলনা করতে রাজি হননি ফিগো। তবে এমএসএন ত্রয়ীর প্রশংসা করেন ইন্টার মিলানের সাবেক এই ফরোয়ার্ড।

'তারা তিনজন অসাধারণ খেলোয়াড়। তারা সবাই দারুণ, বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়দের কয়েকজন তারা'।

'আমি তাদের ফুটবল উপভোগ করি, যদিও আমি তাদের বিবিসির সঙ্গে তুলনা করব না।

পাঁচ ম্যাচের সিরিজ খেলতে বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল। ঢাকা টেস্টের হার এখনো ভুলতে পারেননি ইংলিশ ব্যাটসম্যান জো রুট। তবে ভারতে আসন্ন টেস্ট সিরিজে তার দল ভালো খেলবে বলে জানান রুট। 

হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতলেও, দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজটি আর জিততে পারেনি ইংল্যান্ড। চট্টগ্রাম টেস্ট ২২ রানে জিতলেও, ঢাকা টেস্ট ১০৮ রানের বড় ব্যবধানে হেরে সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করে ইংলিশরা। এতে ইংল্যান্ড দলকে নিয়ে সমালোচনায় মেতে উঠেন সমালোচকরা। সেই সমালোচনা আরও বড় আকার ধারন করে, ভারত সফরটি আসন্ন হওয়ায়।

তিনি বলেন, "বাংলাদেশের কাছে অমন হার যন্ত্রণাদায়ক। তবে ভারতের বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজে ইংল্যান্ড ভালো খেলবে।"

তবে সমালোচকদের ভাষ্য, "আসন্ন ভারত সফরে হোয়াইটওয়াশ হবে ইংল্যান্ড। আসন্ন ভারত সফরে নাকানি-চুবানি খাবে ইংলিশরা।" এমন সব ভবিষ্যৎবাণী শুধুমাত্র সমালোচকরাই করেননি, করেছেন ইংল্যান্ডের অনেক সাবেক অধিনায়ক মাইকেল ভন ও নাসের হুসেইনও।

তবে এমন সমালোচনাকে ভালোভাবেই আমলে নিচ্ছেন ইংল্যান্ডের তারকা ব্যাটসম্যান রুট। কারণ সমালোচকদের পাক্কা জবাব দিতে চান তিনি, "দল হিসেবে ভারত ভয়ংকর। তবে এটি নিয়ে আমরা ভয় পাচ্ছি না। আমরা সবাইকে দেখিয়ে দিতে যাই- আমরা ভালো খেলতে পারি। ভারতের মাটিতে ভালো খেলা আমাদের পক্ষে সম্ভব।"

বেলিসের বক্তব্য থেকেও বুঝা যায়- রুটের মত বাংলাদেশ সফরে ঢাকা টেস্টের হার এখনও পীড়া দেয় বেলিসকেও। সেই পীড়া ভারত সফরে আরও বেড়ে গেলে কি অবস্থা হবে ১৩৯ বছর ধরে টেস্ট খেলা ইংল্যান্ড দলের, তা সময়ই বলে দিবে।

রিশাল বুলস ও চিটাগাং ভাইকিংসের ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। বিকাল ৪টা ১০ মিনিটে মাঠের সর্বশেষ অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে অফিশিয়ালি ম্যাচ বাতিলের ঘোষণা দেন ম্যাচ রেফারি। 

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে আজ সকাল থেকেই গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হয় মিরপুরে। দুপুরের পর বৃষ্টির বেগ কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় ম্যাচের আশা কমে আসে।  

বৃষ্টির কারণে গতকাল বিপিএলের প্রথম দিনের দুটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়। এ নিয়ে বিপিএলের প্রথম তিনটি ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে গেল।

তবে এ মুহূর্তে বৃষ্টি থামায় দ্বিতীয় ম্যাচকে ঘিরে আশা জাগছে। বৈরী আবহাওয়া ও বৃষ্টির কারণে গতকাল থেকেই কভার দিয়ে ঢাকা পুরো মাঠ। সন্ধ্যা সাতটায় দিনের অপর ম্যাচে মাশরাফি বিন মর্তুজার কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের প্রতিপক্ষ সাকিব আল হাসানের ঢাকা ডায়নামাইটস। 


গোলটি দেখলে মেসির দৃষ্টিতেও ঝরে পড়বে অপার মুগ্ধতা। ‘বারবারার এ গোলটির শুরুটা গেটাফের বিপক্ষে মেসির করা সেই গোলটির মতো। শেষটা রোনালদোর (ব্রাজিলের) কমপোসতেয়ার বিপক্ষে করা গোলটির মতো।’

ছয়জনকে কাটিয়ে ডি বক্সের ভিতরে ডুকেছেন। গোলকিপার সামনে চলে এসেছে আস্তে করে গোলকিপারের বাম পাশ দিয়ে বল জালে জড়ালেন। আর তাতেই বনে গেলেন মহিলা মেসি। মেসির সেই বিখ্যাত গোলটির মনে আছে? 

সামাজিক যোগাযোগে এখন চলছে এই দারুন গোল করা বারবারা লাতোরা বন্ধনা। বেশির ভাগেরেই কথা নারী মেসি। এই ম্যাচের আগেও ফুটবল প্রেমীদের কাছে পরিচিত ছিলো না বারবারা লাতোরা নামটি। বার্সেলোনা নারী ফুটবল দলের এই খেলোয়াড়টি সম্প্রতি যে গোলটি করেছেন, তাতে তাঁকে বলা হচ্ছে ‘নারী মেসি’। নগরপ্রতিদ্বন্দ্বী এসপানিওলের বিপক্ষে এই বারবারার গোলটি অনেকটা মেসির মতোই। বিভিন্ন গণমাধ্যমে বারবারার এই গোলটি পরিচিতি পেয়েছে ‘আশ্চর্য গোল’ হিসেবেই।

এমন একটি গোল করে আলোচিত বারবারার মন্তব্য কিন্তু বেশ নির্লিপ্তই, ‘আসলে আমি বলটি পেয়ে গোলপোস্টের দিকেই দৃষ্টি রেখে এগোচ্ছিলাম। শেষ পর্যন্ত গোলটি করে আনন্দিত। আমিও বুঝতে পারছি না কী করে জানি গোলটা হয়ে গেল।’

গোলটির ভিডিও ফুটেজ এখন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ঝড় তুলেছে। এতটাই জনপ্রিয় হয়ে গেছে, বার্সেলোনা ডিফেন্ডার জেরার্ড পিকে গোলটি নিয়ে মন্তব্য করার লোভ সামলাতে পারেননি, ‘বারবারার এ গোলটির শুরুটা গেটাফের বিপক্ষে মেসির করা সেই গোলটির মতো। শেষটা রোনালদোর (ব্রাজিলের) কমপোসতেয়ার বিপক্ষে করা গোলটির মতো।’

একই গোলে যদি মেসি আর রোনালদো দুজনই থাকেন, তাহলে সেই গোলটি সেরা না হয়ে কি কোনো উপায় আছে!

বিপিএলের চতুর্থ আসরে মমিনুল হক রাজশাহী কিংসের হয়ে মাঠে নামবেন। কুড়ি ওভারের এই টুর্নামেন্টে চাপ নিতে চান না তিনি। শনিবার মিরপুরের একাডেমিতে তার কণ্ঠে যেন চাপা ক্ষোভেরই বহিঃপ্রকাশ ঘটলো। 

‘টেস্ট স্পেশালিস্ট’ ব্যাটসম্যানের ট্যাগ বসে যাওয়া মমিনুল কোনও ভাবেই বিষয়টি সহজভাবে মেনে নিতে পারেন না। এর আগে বহুবার তিনি জানিয়েছেন, কোনও ক্রিকেটারের গায়ে বিশেষজ্ঞ ট্যাগ বসিয়ে দেওয়াটা অন্যায়। আজ শনিবার যেমন বললেন, ‘দল আমার কাছে ১৫ বলে ৫০ আশা করছে না। আমি যা করবো, সেটা আমার জন্য বোনাস, দলের জন্যও বোনাস।’

শনিবার ঘুরে ফিরে একই প্রসঙ্গে কথা বললেন মমিনুল হক। সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে তেমন একটা সুযোগ পাননি, আর তাই নিয়তিকেই মেনে নিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) চতুর্থ আসরে কোনও চাপ নিতে চান না, ‘আসলে আমার কোনও চাপ নেই। আমার হারানোর কিছু নেই। আপনারা সবাই জানেন আমি টেস্ট খেলোয়াড়, তাই আমার হারানোর কিছু নেই, আর প্রমাণ করারও কিছু নেই। আমার যতটুকু সামর্থ্য আছে, ততটুকু করার চেষ্টা করবো।’ 

মমিনুলের ক্ষোভ প্রকাশ করার যথেষ্ট কারণও আছে। ক্যারিয়ারের  শুরুটা ৬ নম্বরে পজিশনেই হয়েছিল। এরপর তিন নম্বরে সুযোগ পেয়ে দুর্দান্ত খেলেন তিনি। কিন্তু হঠাৎ করেই টিম ম্যানেজমেন্ট মমিনুলের গায়ে টেস্ট ক্রিকেটারের ট্যাগ বসিয়ে দিলেন! শুধু তা-ই নয়, তার ব্যাটিং অর্ডার নিয়েও শুরু হলো তামাশা। ৭ নম্বর, এমন কি বিশ্বকাপে ৯ নম্বরেও ব্যাটিং করেছেন মমিনুল! মেলবোর্নে শেষ ওয়ানডে খেলার পর বাংলাদেশ অনেক সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের ম্যাচ খেললেও আর সুযোগ হয়নি তার। 

সুযোগ না পাওয়ায় ক্ষোভও প্রকাশ করলেন মমিনুল, ‘কেউ যদি মনে করে আমি টেস্ট খেলোয়াড়, পারবো কি পারবো না। আসলে এখানে বিশ্বাস থাকতে হবে। আমি যে সংস্করণেই খেলি, আমার বিশ্বাস আছে, আমি সেই বিশ্বাস নিয়েই খেলবো। আমি শুধু আমার সামর্থ্য প্রমাণ করার চেষ্টা করবো।’ 

সামর্থ্যের প্রমাণ দেওয়ার জন্য যে পরিমাণ ওয়ানডে কিংবা টি-টোয়েন্টি প্রয়োজন, সেটাই খেলতে পারছেন না মমিনুল। ২০১২ সালে ওয়ানডে অভিষেকের পর এখন পর্যন্ত মাত্র ২৬টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। যেখানে তার গড় খুব একটা খারাপ নয়। বারবার ব্যাটিং পজিশন পরিবর্তন না করলে হয়তো তার গড়টা ৩৫ এর উপরেই থাকতো। মমিনুল তার সমার্থ্যের ব্যাপারে জানেন কিন্ত খুব বেশি ম্যাচ না খেলাতেই এই সমস্যা হচ্ছে বলে তার ধারণা, ‘আমি মনে করি না আমার সামর্থ্য নেই। আমার সামর্থ্য অবশ্যই আছে। তবে একটু ওয়ানডে কম খেলি বলেই হয়তো এখান থেকে বের হতে পারছি না। আমি যদি বিপিএলে পারফর্ম করতে পারি, তাহলে একটা সময় আমাকে নিতে বাধ্য হবে। সব কিছুর উর্ধ্বে পারফরম্যান্স। ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি, বিপিএল কিংবা টেস্ট-সব জায়গায় পারফর্ম করলে আমি আমার জায়গায় চলে আসতে পারবো।’

নিজের দল রাজশাহী কিংস প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে মমিনুল বলেছেন, ‘আমাদের দলটা খুব ভারসাম্যপূর্ণ। খুব বড় কোনও সুপারস্টার না থাকলেও বেশ কিছু ভালো খেলোয়াড় আছে। আমরা তিন বিভাগে ভালো ক্রিকেট খেলতে পারলেই জয় চলে আসবে।’ 

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

ইউরোপা লিগের গ্রুপ পর্ব থেকেই বাদ পড়ার শঙ্কায় পড়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। বৃহস্পতিবার রাতে ফেনেরবাচের কাছে ২-১ গোলে হেরে যাওয়ায় এই শঙ্কা তৈরি হয়েছে। 

৫৯তম মিনিটে ২৫ গজ দূর থেকে দুর্দান্ত ফ্রি-কিকে গোল করেন ফেনেরবাচের জেরেমাইন লেন্স। 

এরপর ৬৫তম সেকেন্ডে বাঁ দিক থেকে হাসান আলি কালদিরিমের ক্রসে মুসা সোর দর্শনীয় কিকে ব্যবধান ২-০ করে ফেনেরবাচ।

প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে অসাধারণ এক শটে ৮৯তম মিনিটে একটি গোল শোধ করেন অধিনায়ক ওয়েন রুনি।

'এ' গ্রুপে ৪ মাচে ফেনেরবাচে ও ফেইনুর্ডের পয়েন্ট ৭। ১ পয়েন্ট কম নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে মরিনিয়োর দল।

ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় এ নিয়ে নয়টি ম্যাচে জয়হীন থাকল ইউনাইটেড, এর মধ্যে তারা হেরেছে আটটিতেই।

বৃহস্পতিবার রাতে দুই ম্যাচ বাকি থাকতেই নক-আউট পর্ব নিশ্চিত করেছে জেনিত, শাখতার দোনেৎস্ক, শালকে ও আয়াক্স।

দলে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের বড় বড় তারকারা থাকলেও বিদেশি খেলানো যাবে সর্বোচ্চ চার জন। এক্ষেত্রে কাকে রেখে কাকে দলে নেয়া হবে সেটি নিয়েই সমস্যায় পড়েছেন ঢাকা ডায়নামাইটসের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। 

গত আসরে রংপুর রাইডার্সে খেলা সাকিব এবার ঢাকার নেতৃত্ব দেবেন। সাকিবের দলে বিদেশি তারকাদেরও কমতি নেই। ডায়নামাইটসের গত আসরের অধিনায়ক কুমার সাঙ্গাকারা আছেন এবার, সঙ্গে আছেন লঙ্কান কিংবদন্তি মাহেলা জয়াবর্ধনেও। 

এদিকে টি-টোয়েন্টি স্পেশালিস্ট ডোয়াইন ব্রাভো ও আন্দ্রে রাসেল তো আছেনই। এছাড়াও গত বিপিএলের সেঞ্চুরিয়ান এভিন লুইস, রবি বোপারা, দক্ষিণ আফ্রিকান অলরাউন্ডার ওয়েইন পার্নেল, লঙ্কান অলরাউন্ডার সিকুগে প্রসন্ন, পাকিস্তানি তরুণ লেগ স্পিনার উসামা মির।

এই তারকাদের মধ্য থেকে কোন চারজনকে নেয়া হবে সেটি নিয়েই সমস্যার কথা জানালেন সাকিব, 'কাজটা একটু কঠিন তো হয়ই'। কোটা অনুযায়ী চারজন বিদেশি ক্রিকেটার খেলতে পারবে। আমার দলে অন্তত ৬-৭ জন আছে খেলার মত। সবাইকে তো খেলাতে পারব না। টিম ম্যানেজমেন্ট আমরা সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নেব। 

শনিবার টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় দিনে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলবে ঢাকা ডায়নামাইটস। 

গত বুধবার নিজেদের মাঠ ইতিহাদে ফিরতি লেগে বার্সেলোনাকে ৩-১ গোলে হারায় ম্যানচেস্টার সিটি। ওই ম্যাচে সিটির মিডফিল্ডার ফের্নানদিনিয়োর সঙ্গে ম্যাচ শেষে তর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন মেসি। 

তবে এটি সত্য নয় বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ফের্নানদিনিয়ো। মেসির সঙ্গে বাদানুবাদ হয়নি বলে জানিয়েছেন এই মিডফিল্ডার।

সিটির ব্রাজিলিয়ান এই মিডফিল্ডার সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম টুইটারে লেখেন, 'মেসিকে প্ররোচিত করা আর  তার সঙ্গে তর্কের গুজবটা কোথা থেকে ছড়িয়েছে সেটি আমার জানা নেই। আমি কেবল বলতে পারি যে, সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে ছড়ানো খবর শুধু মিথ্যাই নয়, হাস্যকরও। ম্যাচ শেষে বার্সেলোনার কোনো খেলোয়াড়ের সঙ্গে আমার কথাই হয়নি। 



একজন মাশরাফি। বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম তারকা। এক এক করে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে দিয়েছেন অনেকগুলো বছর। ২০০১ সালের ৮ নভেম্বর অভিষেক হওয়া মাশরাফির আগামী ৮ নভেম্বর ১৫ বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেটে। দীর্ঘ এই পথ চলায় অনেক বাধা অনেক কষ্টের পথ পাড়ি দিয়ে আজকের এই অবস্থানে মাশরাফি।

মাশরাফির অভিষেকটা হয়েছিলো তখন ক্রিকেটবিশ্বে সমীহ জাগানোর মতো দল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার, গ্রান্ট ফ্লাওয়ার, হিথ স্ট্রিকদের জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে চার উইকেট নিয়ে নিজের জাত চেনান। পরের ম্যাচে ফলোঅনে পড়ে মাত্র ১০ রানের লিড নিতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ। আর মাত্র ১০ বল করতে পেরে দুই উইকেট তুলে সেদিন উপাধী পান ম্যাজিক বোলার।

সেই যে বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাথে পথ চলা এখনো তিনি চলছেন। মাঝ পথে কয়েকবার বাধা গ্রস্থ হয়েছিলেন ইনজুরির কারণে। সব কিছুকে পেরিয়ে অদম্য সাহস আর ইচ্ছার বলে আবারো মাঠে এসেছেন বর্তমান বাংলাদেশ ওয়ানডে ক্রিকেটের অধিনায়ক মাশরাফি।

আগামী শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমার লিগের চতুর্থ আসর। সেখানে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের অধিনায়ক হিসেবে আছেন তিনি। গতবার প্রথমবারের মত বিপিএলে অংশগ্রহন করা কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে চ্যাম্পিয়ান ট্রপি এনে দিয়েছিলেন মাশরাফি।

হোক না বিপিএল মাশরাফির সামনে যেনো সবই ম্লান। বাংলাদেমের ক্রিকেট পাড়ায় এখন বিপিএলের থেকেও বেশি উচ্ছারিত হয় মাশরাফির নাম। গতকাল মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের একাডেমি মাঠে অনুশীলন শেষে সংবাদিকদের সামনে পড়েন মাশরাফি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মাশরাফি বলেন, ‘১৫ বছর অনেক সময়। যতদূর খেলেছি, এখনো খেলছি আলহামদুলিল্লাহ। বহুত সমস্যা, বহুত ভালো লাগা সবকিছুই আছে ১৫ বছরের ক্যারিয়ারে। আমি অনুভব করি আমার ভালো লাগার সংখ্যাই বেশি। আর যে কয়দিন খেলি চেষ্টা করবো ভালো খেলার।’

‘ক্ষুধাটা যে আগে ছিল না, তা নয়। ফর্ম তো এমন একটা জিনিস যখন-তখন আসতে পারে, আবার যখন-তখন খারাপ হয়। কিন্তু আমি যেটা বললাম আপনার চেষ্টাটা কতুটুকু বা বাংলাদেশ দলে সবাই খেলতে চায় কিন্তু তার জন্য চেষ্টা করতে হবে, কষ্ট করতে হবে। তো ওই ক্ষুধা থাকাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ওইটা যতোদিন আছে ততোদিন চেষ্টা করবো।’

সব ধরনের ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন জার্মানির বিশ্বকাপ জয়ী স্ট্রাইকার মিরোস্লাভ ক্লোসা। ২০১৪ সালে ব্রাজিল বিশ্বকাপে দেশের হয়ে প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা জেতেন ক্লোসা। 

ওই আসরেই বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১৬ গোলের রেকর্ড গড়েন তিনি। বিশ্বকাপ শেষেই আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি। এবার সব ধরণের ফুটবলকেই বিদায় জানালেন।

বায়ার্নের হয়ে দুবার বুন্ডেসলিগা জেতা ক্লোসা ২০১১-১২ থেকে ২০১৫-১৬ মৌসুম পর্যন্ত লাৎসিওতে খেলেন। গত মৌসুমে ইতালির দলটির সঙ্গে চুক্তি শেষ হয়ে যাওয়ার পর কোনো দলেই ছিলেন না ৩৮ বছর বয়সী এই খেলোয়াড়।

পোল্যান্ডে জন্ম নেওয়া ক্লোসা ২০০১ সালে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেকের পর থেকে জার্মানির হয়ে ১৩৭টি ম্যাচ খেলেন। দারুণ এই পথচলায় জার্ড মুলারের গড়া জার্মানির হয়ে সর্বোচ্চ গোলের ৪০ বছরের পুরনো রেকর্ড গত বিশ্বকাপে ভেঙে দেন ক্লোসা।



শারজাহ টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে চালকের আসনে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েইটের আদ্যন্ত ব্যাটিং ও জেসন হোল্ডারের দুর্দান্ত বোলিংয়ে সিরিজে প্রথম জয়ের স্বপ্ন দেখছে ক্যারিবিয়রা।  

তৃতীয় দিন শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৮৭ রান। আজহার আলি ৪৫ ও সরফরাজ আহমেদ ১৯ রানে অপরাজিত। 

৫৬ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করা পাকিস্তানের টপ অর্ডারে ধস নামান হোল্ডার। প্রথমে পাকিস্তানের উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান সামি আসলামকে জোসেপের ক্যাচে পরিণত করেন হোল্ডার। এরপর ব্যাটিং ভরসা আসাদ শফিক ও ইউনুস খানকে রানের খাতাই খুলতে দেননি এই পেসার।

অধিনায়ক মিসাবাহও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। চেইজের বলে উড়িয়ে মারতে গিয়ে বিশুর ক্যাচে পরিণত হন মিসবাহ।

ব্যক্তিগত ৯ রানে ফিরে যেতে পারতেন সরফরাজ। কিন্তু গ্যাব্রিয়েলের 'নো' বলের কল্যাণে রক্ষা পান এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান। লড়াইয়ের পুঁজি পেতে তাই আজহার-সরফরাজের ওপরই ভরসা করছে পাকিস্তান।  

এর আগে মঙ্গলবার শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৬ উইকেটে ২৪৪ রান নিয়ে খেলা শুরু করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বেশিক্ষণ টিকেননি অধিনায়ক হোল্ডার। তবে ব্র্যথওয়েইটকে দারুণ সঙ্গ দেন আট নম্বর ব্যাটসম্যান দেবেন্দ্র বিশু। অষ্টম উইকেটে এই দুই জনে গড়েন ৬০ রানের জুটি। সিরিজে প্রথমবারের মতো লিড পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

বিশুকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙার পর দ্রুত শেষ দুই উইকেটও তুলে নেন ওয়াহাব। ৮৮ রানে ৫ উইকেট নিয়ে তিনিই দলের সেরা বোলার। 

ইনিংসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত খেলা ব্র্যাথওয়েইট অপরাজিত থাকেন ১৪২ রানে। তার ৩১৮ বল স্থায়ী ইনিংসটি গড়া ১১টি চারে। 

প্রথম ইনিংসে পাকিস্তান করেছিল ২৮১ রান। জবাবে ব্র্যাথওয়েইটের আদ্যন্ত ব্যাটিংয়ে ৩৩৭ রান করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৫৬ রান পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করা পাকিস্তানের লিড হয়েছে ৩১ রান। হাতে আছে ৬ উইকেট।

বেন স্টোকসকে বোল্ড করার পর সামরিক কায়দায় তাকে স্যালুট করলেন সাকিব আল হাসান। মিরপুরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে স্টোকসের (২৫) স্ট্যাম্প ভাঙা মাত্রই এমন উদযাপন করেন সাকিব।

এমন উদযাপন আগে দেখা যতে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লীগে। উইকেট পেলেই এমন উদযাপন করেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেসার কটরেল। গত বছর ইংল্যান্ডের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে একই দৃশ্য দেখিয়েছেন মারলন স্যামুয়েলসও। 

গ্রেনাডা টেস্টে সেটিও ছিল তৃতীয় দিনের বিকেল। দেবেন্দ্র বিশুর বলে আউট হয়ে স্টোকস মাঠ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় স্যালুট ঠুকে দেন মারলন স্যামুয়েলস।

এবার সেটিরই পুনরাবৃত্তি দেখালেন সাকিব। এর আগে ওয়ানডে সিরিজে জস বাটলার আউট হওয়ার পর বাংলাদেশ দলের উদযাপন নিয়ে কম জল ঘোলা হয়নি। বাটলার মাঠে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিলেন, মাঠের বাইরেও বলেছিলেন নিজের অসন্তুষ্টির কথা। 

এবার স্টোকস অবশ্য স্বাভাবিকভাবেই নিয়েছেন সাকিবের উদযাপন। ম্যাচ শেষে ফেইসবুকে বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি মজাও করলেন। 

'আমাদেরকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য ধন্যবাদ বাংলাদেশ'। 'টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজ ছিল অসাধারণ। এদেশের মানুষ, নিরাপত্তকর্মী ও অবশ্যই সাকিব আল হাসানকে স্যালুট'!


ভারতের ৫০০ কোটি রুপির দুর্নীতির ঘটনাকে সবচেয়ে বড় টেলি-দুর্নীতি বলা হয়ে থাকে। এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ২৩ বছরের ভারতীয় তরুণ সাগর ওরফে শ্যাগি। আর তিনি এখনও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে আছেন। ঘটনাটি তদন্ত করতে নেমে বেশ কিছু চমকপ্রদ তথ্য হাতে পেয়েছে পুলিশ।

শ্যাগির সঙ্গে ভারতীয় টেস্ট ক্রিকেট অধিনায়ক বিরাট কোহলির পরিচয় আছে- এমন তথ্যে পুলিশ চমকে গেছে। বিষয়টা হলো কোহলির কাছ থেকে ৩ কোটি টাকার একটি অডি গাড়ি কিনেছিল দুর্নীতিবাজ শ্যাগি।

মহারাষ্ট্র পুলিশের ডিসিপি পরাগ মানেরে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে জানিয়েছেন, "শ্যাগির কাছ থেকে আমরা ৩ কোটি টাকার একটি অডি R-8 গাড়ি বাজেয়াপ্ত করেছি। গাড়িটি বিরাট কোহলির কাছ থেকে কিনেছিল সাগর।" গাড়িটি আহমেদেবাদ থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং যা থানায় নিয়ে আসা হচ্ছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রেমিকার জন্য ওই গাড়িটি কিনেছিল শ্যাগি। তবে ভারত অধিনায়কের সঙ্গে এই দুর্নীতির কোনো সম্পর্ক নেই। গাড়ি বিক্রির সময় তিনি শ্যাগির পরিচয় জানতেন না বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের সন্দেহ, দেশ ছেড়ে পালিয়েছে শ্যাগি। বোন রিমাকে সঙ্গে নিয়ে দুবাইয়ে লুকিয়ে আছে বলে সন্দেহ পুলিশ কর্মকর্তাদের।

ভুয়া কল সেন্টার তৈরি করে মার্কিন নাগরিকদের প্রতারণা করার অভিযোগ সাগরের বিরুদ্ধে। আমেরিকানদের ফোন করে আয়করের দপ্তরের প্রতিনিধি বলে পরিচয় দিত শ্যাগির কর্মীরা। কর না মেটালে গ্রেপ্তারের হুমকি দিয়ে টাকা দাবি করা হত। ১০ থেকে ২০ হাজার মার্কিন ডলার দাবি করলেও ৩-৫ হাজার ডলারে রাজি হয়ে যেতেন তারা। এর পর ক্যাশ কার্ড থেকে প্রতারণার অর্থ জোগাড় করত শ্যাগি ও তার দল। কিন্তু, এক কর্মী পুলিশের কাছে মুখ খুলে দিলে, গোটা বিষয়টি প্রকাশ্যে চলে আসে।



জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে বিশাল সংগ্রহের পথে রয়েছে শ্রীলঙ্কা। প্রথম দিনের খেলা শেষে শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৩১৭ রান। উপুল থারাঙ্গা ১৩ ও ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা ১০ রানে অপরাজিত আছেন।

নিয়মিত অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের চোটে সিরিজে দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন রঙ্গনা হেরাথ।

মন্থর উইকেটে জিম্বাবুয়ের পেসারদের আঁটসাঁট বোলিংকে কাজে লাগিয়ে ১২৩ রানের উদ্বোধনী জুটিতে দলকে দারুণ সূচনা এনে দেন করুনারত্নে-কৌশল সিলভা। সাতটি চারে ৫৬ রান করা করুনারত্নেকে আউট করে স্বাগতিকদের ‘ব্রেক থ্রু’ এনে দেন ক্রেমার।

ম্যালকম ওয়ালারের বলে বাজে এক শটে ফিরেন অন্য উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান সিলভা। ছয় রানের জন্য টানা দ্বিতীয় শতক পাননি এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। ১১টি চারে ৯৪ রান করতে তিনি খেলেন ১৯৪ বল।

এদিন ওয়ানডে মেজাজে ১০৪ বলেই সেঞ্চুরি করেন কুশল পেরেরা। দিনের শেষ দিকে আউট হওয়ার আগে ১১০ রান করেন বাহাতি এই ব্যাটসম্যান। তার ১২১ বলের ইনিংসটি ১৫টি চার ও দুটি ছক্কা সমৃদ্ধ। বাকি সময়টুকু নিরাপদেই কাটিয়ে দেন থারাঙ্গা-ডি সিলভা।

মাহমুদউল্লাহ আউট হওয়ার পর ইএসপিএন ক্রিকইনফোর কমেন্টারি, ‘শেষ মুহূর্তে কী বোধ-বুদ্ধিটাই হারিয়ে ফেললেন মাহমুদউল্লাহ!’ ‘এ কেমন শট খেললেন তিনি!’ এ তো পুরোপুরি আত্মঘাতী! খুব সহজেই, যে কেউ বলটাকে সোজা ব্যাটে ডিফেন্স করে দেবে। স্লো উইকেটে জাফর আনসারির নিচু হয়ে আসা বলটি ব্যাট পেতে দেয়াই ছিল মাহমুদউল্লাহর মত ব্যাটসম্যানের কাছ থেকে তখনকার মুহূর্তের চাওয়া। তাতে ১২৮ রানের লিড, সঙ্গে হাতে ৮ উইকেট নিয়ে দিন শেষ করতে পারবে বাংলাদেশ।

শুধু কি নিজের উইকেট? না ‍পুরো দলকেই চাপে ফেলেছেন মাহমুদউল্লাহ! দিন শেষে দলের প্রতিনিধি হয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসা মেহেদী হাসান মিরাজ সে কথাই বললেন, ‘রিয়াদ(ভাই)যদি থাকত আমাদের জন্য ভালো হত। কিন্তু দূর্ভাগ্যবশত আউট হয়ে গেছেন।’

কিন্তু দিনের শেষ বলে ওরকম শট কেন? স্কোরবোর্ড দেখলে কিছুটা অনুমান করা যাবে। মাহমুদউল্লাহ যখন আউট হলেন তখন তার নামের পাশে ৪৭ রান। টেস্টে গত চার ইনিংসে নেই কোনো হাফসেঞ্চুরি কিংবা তার বড় ইনিংস। তাই দিনের শেষ বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে নিশ্চিন্ত থাকতে চেয়েছিলেন! তৃতীয় দিনটি হয়ত শুরু করতে চেয়েছিলেন নতুন করে! কিন্তু সেই সুযোগ মিলল কই।

অযাচিত শট নিয়ে মিরাজের ব্যাখ্যা, ‘ব্যাটসম্যানরা যে কোন বলেই আউট হতে পারে। ব্যাটসম্যানদের সুযোগ কিন্তু একটাই। কিন্ত বোলাররা সুযোগ অনেক বেশি পায়্। ব্যাটিং করার সময় সিদ্ধান্ত একটু এদিক-সেদিক হলেই আউট হয়ে যায়। রিয়াদ ভাই অনেক ভালো ক্রিকেটার। অনেক অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান। আউট হতেই পারে। কেউতো আর ইচ্ছে করে আউট হতে চায় না।’

বাংলাদেশ এই মুহূর্তে এগিয়ে আছে ১২৮ রানে। ইংল্যান্ডের সামনে যে লক্ষ্যই ছুড়ে দেওয়া হোক, সেটি নিয়েই লড়াইয়ের প্রত্যয় মিরাজের, ‘প্রথম ইনিংসে আমাদের ভালো একটা জুটি হয়েছে। যদিও এর পর দ্রুত উইকেট পড়ে গেছে। আমাদের যারা ব্যাটসম্যান আছে, আশা করি দায়িত্ব নিয়ে খেলবে। যে রানই আমরা করি, আশা করি সেটা নিয়েই আমরা লড়াই করতে পারব। আমরা আমাদের শক্তি সম্পর্কে জানি। আমাদের স্পিনাররা ভালো বোলিং করছে। ভালো ব্যাটিং হলে স্পিনারদের জন্য কাজ সহজ হয়ে যাবে।’

এক উইকেট হারিয়ে ১৭১ রান- ঢাকা টেস্টে শুরুটা ভালোই ছিল বাংলাদেশের। অথচ ৪৯ রানে যোগ করতেই বাকি নয় উইকেট হারিয়ে বসেছে স্বাগতিকরা। এমন ব্যর্থতার উত্তরে বাংলাদেশের ওপেনার তামিম ইকবাল বললেন, ‘সত্যি কথা বলতে কি, যেভাবে আমাদের নয়জন ব্যাটসম্যান আউট হয়েছে, এর উত্তর আমার কাছে নেই।' আজ শুক্রবার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে প্রথম দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
 
তামিম আরো বলেন, 'আমাদের ব্যাটসম্যানরা যেভাবে আউট হয়েছে, এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমাদের আরো সতর্ক হয়ে খেলা উচিত ছিল।’
বাংলাদেশ দলের সহ-অধিনায়ক বলেন, ‘আমাদের ব্যাটসম্যানরা ব্যর্থ হয়েছে -এটা অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে প্রতিপক্ষ দলও ভালো বল করেছে। আমাদের কিছু ভুল ছিল বলেই বড় সংগ্রহ গড়া সম্ভব হয়নি।’
আরো ১০০ রান যোগ করতে পারলে ভালো হতো বলে মনে করেন তামিম ইকবাল। তিনি বলেন, ‘যেভাবে আমার শুরু করেছিলাম, সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলে ভালোই হতো। অন্তত পক্ষে আরো ১০০ রান যোগ করতে পারলে ভালো হতো। হয়তো লিড নেওয়া সম্ভব হতো।’


টানা দুই ম্যাচ গোল না করা কী আর এমন ব্যাপার! তবে খেলোয়াড়টার নাম যদি হয় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, তাহলে নড়েচড়ে বসতেই হয় ফুটবলপ্রেমীদের। রিয়াল মাদ্রিদের সমর্থকরা তো বেশ বিরক্ত। রোনালদোকে নিয়ে ব্যঙ্গ করতেও তারা ছাড়ছে না। স্পেনের সবচেয়ে সফল ক্লাব তাই দলের সেরা তারকার গোলের প্রত্যাশায় উন্মুখ।
দুই মাস পর চোট কাটিয়ে ১০ সেপ্টেম্বর মাঠে নেমেই গোল করেছিলেন রোনালদো। কিন্তু রিয়ালের জার্সিতে তার পর থেকে তাঁর পারফরম্যান্স তেমন উজ্জ্বল নয়। ফেরার পর বিশ্ববিখ্যাত ক্লাবের হয়ে নয় ম্যাচে মাত্র চারটি গোল করেছেন ‘সিআরসেভেন’। গত রোববার লা লিগায় অ্যাথলেতিক বিলবাওয়ের বিপক্ষে গোলের সুযোগ নষ্ট করায় দুয়ো পর্যন্ত শুনতে হয়েছে তাঁকে।
ভক্তরা ক্ষুব্ধ হলেও দুঃসময়ে দলের সবাইকে পাশে পাচ্ছেন রোনালদো। কোচ জিনেদিন জিদান স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, পর্তুগিজ তারকার ফর্ম নিয়ে তিনি চিন্তিত নন। ফরাসি কিংবদন্তির দৃঢ়বিশ্বাস, দুঃসময় পেছনে ফেলে দ্রুত জ্বলে উঠবেন রোনালদো।
বিস্ময়করভাবে, ছয় গোল নিয়ে এবারের মৌসুমে রিয়ালের সবচেয়ে সফল ফরোয়ার্ড আলভারো মোরাতা। রোনালদো-বেল-বেনজেমার কারণে জিদানের প্রথম একাদশে নিয়মিত সুযোগ পান না তিনি। তবে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে মোরাতা গোল পাচ্ছেন নিয়মিতই। বিলবাওয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয়ার্ধে নেমে জয়সূচক গোল করা মোরাতারও অগাধ আস্থা রোনালদোর ওপরে, ‘কেউ প্রতি মৌসুমে ৭০টির মতো গোল করলে তার তো গোল আসক্তি হবেই। আমাদের কাছে সে (রোনালদো) দলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। আশা করি, সে অনেক গোল করবে। কিন্তু সে তো মেশিন নয়। সে একজন মানুষ। যদিও তাকে দেখলে মনে হয়, ভিন্ন গ্রহ থেকে এসেছে। তবে তারও গোল মিস করার অধিকার আছে।’

ঢাকা টেস্টের প্রথম দিনে দাপট দেখিয়েছেন বোলাররা। একদিনে ১৩ উইকেট পড়েছে। দু-একজন ছাড়া কোনো ব্যাটসম্যানই খুব একটা ভালো খেলতে পারেননি। ব্যাটসম্যানের এই ব্যর্থতার দিনে ব্যতিক্রম ছিলেন বাংলাদেশ ওপেনার তামিম ইকবাল।
শুধু ব্যতিক্রম বললে কমই বলা হবে। দারুণ উজ্জ্বলতা ছড়িয়েছেন তামিম। করেছেন ক্যারিয়ারের অষ্টম শতক, এই ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই তৃতীয়। তাই শতকটা তামিমের কাছে ‘স্পেশাল’।
দলের ব্যাটিং ব্যর্থতার দিনে নিজের সাফল্যে দারুণ খুশি তামিম। শুক্রবার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে প্রথম দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘হঠাৎ যেভাবে আমরা উইকেট হারিয়েছি, এটা আসলেই খারাপ লাগার বিষয়। তাই এদিনে শতকটা আমার কাছে স্পেশাল মনে হচ্ছে। শুধু এটিই নয়, প্রতিটি শতকই আমার কাছে স্পেশাল।’
তামিম-মুমিনুল জুটি আরো কিছুক্ষণ উইকেটে থাকতে পারলে ভালো হতো। এ সম্পর্কে বাংলাদেশ ওপেনার বলেন, ‘আমরা যদি আরো কিছুক্ষণ উইকেটে থাকতে পারতাম, তাহলে হয়তো এমন ব্যাটিং বিপর্যয় হতো। আমাদের উচিত ছিল অন্তত আরো ৫০ রান যোগ কারে আসা। কিন্তু আমরা তা পারিনি।’
অবশ্য নিজের আউটের জন্য নিজেকেই দুষেছেন তামিম, ‘আমি যেভাবে আউট হয়েছি, তা মোটেও ঠিক হয়নি। এই ভুলটি আমারই ছিল। কিন্তু এই ভুলের কোনো উত্তর নেই।’
এই ম্যাচে ১০৪ রানের ইনিংসটি খেলতে ১৪৭ বল খরচ করেছেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। যাতে চারের মার ছিল ১২টি। অনেকটা ওয়ানডে স্টাইলে খেলেছেন তিনি। এ সম্পর্কে বাংলাদেশ ওপেনার বলেন, ‘টেস্ট বা ওয়ানডে হোক, আমি এভাবেই খেলতে পছন্দ করি। বলতে পারেন কিছুটা মেরে খেলা আমার পছন্দ।’

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget