Halloween Costume ideas 2015

Behiond The Seen of Bangladesh

Articles by "রূপ চর্চা"



 সুস্থ ও সুন্দর নখ কেবল হাতের সৌন্দর্যকেই বাড়িয়ে তোলে না, এটি ব্যক্তিত্বেরও পরিচয় বহন করে। হয়তো স্টাইলিশ ও নানা রঙের নেইলপালিশে নখ ঢেকে রাখা যায়। কিন্তু স্বাস্থ্যের খাতিরে তো কোন কম্প্রোমাইজ চলে না। তাই সুস্থ থাকার জন্যই প্রয়োজন একটু যত্ন নেয়ার।

স্বাস্থ্যকর নখের জন্য ১০টি অবশ্য পালনীয় কাজ সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক।

সঠিক পদ্ধতিতে পরিষ্কার করতে হবে নখ, নখ কাটার সময় যত্ন নিয়ে কাটতে হবে। ব্লেড নয়, নেইল কাটার ব্যবহার করতে হবে। প্রতিরাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নখের কিউটিকলে পেট্রোলিয়াম জেলি বা জলপাই তেল মেখে ঘুমাতে হবে। এতে নখ ঝলমলে ও মজবুত থাকবে।

অত্যধিক ক্ষতিকর কেমিক্যাল সমৃদ্ধ প্রসাধনী পরিহার করতে হবে। নেইল পলিশ ও রিমুভার তো অবশ্যই। হাত ও পায়ের ম্যাসাজে নখে রক্ত সরবারহ বৃদ্ধি পায়, এতে নখ হবে স্বাস্থ্যকর এবং উজ্জ্বল। সুষম খাদ্য গ্রহণ করতে হবে; বিশেষ করে আয়রন ও প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার আর প্রচুর সবুজ শাক-সবজি রাখতে হবে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায়।

হাত বা পা বেশিক্ষণ ভেজা রাখা যাবে না। এতে নখে ফাঙ্গাল ইনফেকশন হতে পারে। সবসময় শুকনো করে মুছে রাখতে হবে। দাঁত দিয়ে নখ কাটার অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। সম্ভব হলে মাসে একবার পার্লার থেকে পেডিকিউর ও মেনিকিউর করানো ভালো।

রান্নাবান্না বা অন্য কোন কাজে নখ হলদে হয়ে গেলে লেবু ঘষলে পরিষ্কার হয়ে যাবে। নখে সাদা দাগ, ঢেউ বা অন্য কোন অসুবিধা হলে অবহেলা করবেন না। অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যান। নখে যে কোন ধরণের বিকৃতি হতে পারে বিশাল কোন শারীরিক সমস্যার লক্ষণ!

সুস্থ নখের জন্য এই নিয়মগুলো মেনে চলতে হবে।

ছেলেরা ঘুমানোর আগে যেভাবে Skin এর যত্ন নেবেন। আমাদের দৈনন্দিন ব্যস্ততম জীবনে পুরুষদের ত্বকের যত্ন নেয়া হয় না। দিনভর কাজ, ধুলাবালি, রাস্তার কালো ধোয়া, রোদের তাপ সব শেষে বাসায় ফিরে আয়নার নিজের চেহারা দেখে অবাক হওয়াটা শুধু বাকি থাকে। মুখে কালো ছোপ আর ধুলাবালিতে চেহারার উজ্জ্বলতা কোথায় যেনো হারিয়ে গেছে।
প্রাকৃতিকভাবে ত্বককে উজ্জ্বল করতে শসা খুব উপকারী উপাদান হিসেবে কাজ করে। প্রতিদিন বাসায় ফিরে মুখ ধোয়ার আগে শসার টুকরো দিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট মুখ ঘষে ঘষে পরিষ্কার করে নিন। প্রতিদিন ব্যবহারে ত্বক অনেক পরিষ্কার হয়। এ ছাড়া শসার রস ত্বকে প্রাকিতিক মশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে।
এক চামচ কাঁচা হলুদের সঙ্গে কাঁচা দুধ মিশিয়ে পেষ্ট তৈরী করে সম্পূর্ণ মুখে ভালোভাবে লাগিয়ে নিন। কাঁচা হলুদ ত্বকের কোমলতা ধরে রাখে এবং কাঁচা দুধ   স্কিনের কমপ্লেকশনকে আরো ফর্সা করতে সাহায্য করে।
এলোভেরার জেলোতে প্রচুর পরিমাণে আন্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা ফাটা ত্বক সারিয়ে তুলতে অনেক উপকারী। সপ্তাহে ১ থেকে ২ দিন এলোভেরা জেলো মুখে মেখে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে মুখ ধুয়ে নিন। এটি ত্বকের মৃত কোষগুলো বের করে ত্বককে আরো উজ্জ্বল করে তোলে।
স্বাভাবিক ও শুষ্ক ত্বক
এ ধরনের ত্বক পরিষ্কার করার জন্য ত্বক উপযোগী ক্লিনজিং জেল বা ফোম ব্যবহার করা উচিত। ত্বক নরম ও মসৃণ থাকবে। ক্লিনজার নিয়ে হালকাভাবে ত্বকে ম্যাসাজ করুন। তারপর ভেজা তুলা দিয়ে মুছে ফেলুন। ভেজা তুলা ব্যবহার করলে ত্বকের ময়েশ্চার বজায় থাকবে ভালোভাবে।
ক্লিনজিংয়ের (Cleanser) পর জরুরি টোনিং (Toning)ভিজা তুলা দিয়ে স্কিন টোনার লাগান। টোনারের বদলে গোলাপ পানিও ব্যবহার করতে পারেন। টোনিংয়ের পর রিশিং ক্রিম বা পাইট ক্রিম দিয়ে ম্যাসাজ করুন। ত্বক যদি বেশি শুষ্ক প্রকৃতির হলে ক্রিম লাগানোর পর হালকা ময়েশ্চারাইজিং লোশন ( Moisturising lotion) লাগাতে পারেন, না হলে ময়েশ্চারাইজার লাগানোর দরকার নেই।
সেনসেটিভ ত্বক
ত্বকে ব্রণের সমস্যা থাকলে মেডিকেটেড সোপ বা ক্লিনজার ব্যবহার করা ভালো। ত্বকের অতিরিক্ত তেল সরিয়ে আপনার ত্বককে ফ্রেস রাখবে। এছাড়া ব্রণ কমাতে চন্দনবাটা সারারাত লাগিয়ে রাখতে পারেন। স্যালাইসিলিক অ্যাসিডসমৃদ্ধ ক্রিম লাগাতে পারেন। তবে এতে ত্বকে টানভাব দেখা যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে পুরো মুখে অ্যালোভেরা জেল হালকা করে লাগাতে পারেন। ক্লে মাক্সও লাগাতে পারেন। খুব ঠাণ্ডা বা গরম পানি দিয়ে মুখ ধোয়া উচিত নয়। মুখ পরিষ্কার করার পর ভালো করে পানি দিয়ে মুখ ধোবেন। বিশেষ করে ত্বক তৈলাক্ত প্রকৃতির হলে মুখ ভালো করে পানি দিয়ে ধুয়ে নেবেন। ত্বক শুষ্ক ধরনের হলে অ্যালোভেরা, লেবুসমৃদ্ধ সাবান ব্যবহার করবেন না। এছাড়া ত্বকে ব্রণ থাকলে লেবু জাতীয় কিছু সরাসরি না লাগানোই ভালো।
তৈলাক্ত ও মিশ্র ত্বক
এ ধরনের ত্বকের জন্য ভালো ক্লিনজিং লোশন বা ক্লিনজিং মিল্ক (Cleansing Milk) মুখে ভালোভাবে লাগানোর পর ভিজা তুলা দিয়ে মুখ মুছে ফেলুন। সাবানবিহীন ক্লিনজার বা ফেসওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন। সাবানের মতো ফেসওয়াশ হাতে নিয়ে মুখে লাগাবেন। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তারপর টোনার বা অ্যাস্ট্রিনজেন্ট লাগান। তৈলাক্ত ত্বকে নারিশিং ক্রিম ব্যবহার না করাই ভালো। কারণ এতে ত্বক আরও তৈলাক্ত হয়ে যেতে পারে এবং রোমকূপ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। হালকা ময়েশ্চারাইজার লাগাতে পারেন। মিশ্র প্রকৃতির ত্বকের শুষ্ক অংশে নারিশিং ক্রিমও ব্যবহার করতে পারেন।

শীতের দিনে ত্বক ফর্সা ও উজ্জ্বল রাখার কিছু উপায়

মঙ্গলবার অক্টোবর ২৫, ২০১৬

আসছে শীত। আর শীতের দিন আসা মানেই যেন গায়ের রঙ কালো হয়ে যাওয়া, চেহারা হয়ে পড়া মলিন ও নিষ্প্রাণ। একটু লক্ষ্য করলেই দেখা যায়, শীতের দিনে চেহারার ফর্সা ও উজ্জ্বল ভাবটা কেমন যেন হারিয়ে যায়। তবে একটু নিয়ম মেনে চললেই এই শীতেও ত্বক থাকবে ফর্সা ও উজ্জ্বল।



১. ত্বকের রঙ উজ্জ্বল করার জন্য একদিন পর পর ব্যবহার করুন তাজা টমেটো। একটি টমেটোর পাল্প পুরোটা বের করে নিন, এর সাথে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস ও সামান্য মুলতানি মিশিয়ে ব্যবহার করুন মুখে-গলায়-হাতে। গোটা শীত জুড়েই ত্বক থাকবে ঝলমলে।

২. এই শীতে ত্বক নরম ও ফর্সা করতে আরেকটি চমৎকার উপাদান হতে পারে পাকা পেঁপে। পাকা পেঁপে চটকে নিয়ে তার সাথে মধু, সামান্য কাঁচা হলুদ ও কাঁচা দুধ মিশিয়ে মুখে-গলায় লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একদিন এটা করতে পারেন, ত্বক হয়ে উঠবে ঝলমলে।

৩. শীতের দিনে চেহারা মলিন ও কালো দেখানোর প্রথম কারণ ভুল ক্রিম নির্বাচন। বিশেষ করে যাদের ত্বক তৈলাক্ত, তাঁদেরকে যেন কালো আরও বেশি দেখায়। দেখেশুনে বুঝে নিজের জন্য এমন ক্রিম নির্বাচন করুন যেটা সহজে মুখের সাথে মিশে যায় ও চিটচিটে ভাব তৈরি করে না। অতিরিক্ত তৈলাক্ত ক্রিম পরিবেশের ধুলোবালি মখে আটকে ফেলে, ফলে নষ্ট হয়ে যায় চেহারার সৌন্দর্য। ত্বকে ময়লা জমে আপনাকে দেখায় কালো।

৪. রোদে বের হবার আগে অবশ্যই ছাতা ব্যবহার করুন। শীতের ত্বক যতই মিষ্টি লাগুক অনুভব করতে, আসলে কিন্তু গ্রীষ্মের রোদের মতই ক্ষতিকর। একই সাথে খুব বেশি গরম পানি দিয়েও গোসল করবেন না। এতে আপনার ত্বকের সৌন্দর্য ও প্রাকৃতিক রঙ, দুটোই হারাবে।

৫. শীতের মৌসুমে ত্বকে মরা কোষটাও বেশি জমে। তাই নিয়ম করে সপ্তাহে ২/৩ বার স্ক্রাবিং করুন। এক্ষেত্রে কফি ও চিনির মিশ্রণ সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে স্ক্রাবার হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন। কফি ত্বক উজ্জ্বল করে।

৬. গোসলের আগে মুখ সহ পুরো শরীরে ভালো করে অলিভ অয়েল ম্যাসাজ করুন। তারপর ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন, ত্বককে সময় দিন তেল শুষে নেবার। তারপর গোসল সেরে ফেলুন। ত্বক একই সাথে থাকবে ঝলমলে, ফর্সা ও নরম।

৭. সে সাথে খাবেন প্রচুর পানি ও শাকসবজি। অবাক হচ্ছে? অবাক হবার কিছু নেই। শীতকালে আমরা পানি খাওয়ার পরিমাণ একেবারেই কমিয়ে দেই, ফলে ত্বক হারায় স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা। আর কেবল শীত বলে নয়, যে কোন মৌসুমেই সহজলভ্য শাকসবজি ও ফল আপনাকে সুস্থ ও সুন্দর রাখে।

৮. শীতে হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন। দিনে দুবার খাটি গোলাপ জল তুলায় লাগিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নিন। ত্বক হয়ে উঠবে নরম ও ফর্সা।

৯. গরম কালে ব্যবহার করা ফেসওয়াশটি শীতে বদলে ফেলুন। বেছে নিন আরও মাইলড ফেসওয়াশ। অতিরিক্ত ক্ষারযুক্ত ফেসওয়াশ ও সাবান আপনাকে করে তুলবে কালো।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget