Halloween Costume ideas 2015

Behiond The Seen of Bangladesh

Articles by "রেসিপি"

সকালের নাস্তা দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবার হিসেবে ধরা হয়। সকালের ভালো নাস্তা সারাদিনের ভালো কাজের জন্য মনকে প্রফুল্ল রাখে, দিনের কাজের জন্য শরীরকে প্রস্তুত করে তোলে। সকালের নাস্তার গুরুত্ব এড়িয়ে গেলে শরীরের ওপর এর প্রভাব পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন গবেষকেরা। সকালের নাস্তা নিয়ে যে সাধারন ভুল আমরা করে বসি তা এড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
সকালে জুস নয়
সকালে উঠে ব্লেন্ডারে ফলের জুস তৈরি করতে যাচ্ছেন? গবেষকেদের পরামর্শ হচ্ছে জুসের পরিবর্তে ফল খান এবং সঙ্গে এক গ্লাস পানি। জুস তৈরি করলে ফলের ভিটামিন, মিনারেল ও ফাইবার নষ্ট হয়ে যায়।

সকালে পরিমাণমতো নাস্তা খান
সকালে একেবারে কম খেয়ে সারাদিন যা খুশি তাই খেলে শরীরের ওজন বেড়ে যেতে পারে। অনেকে ধারণা করেন, দীর্ঘসময় না খেয়ে থাকার পর যা খুশি তাই খেলে ওজন বাড়ে না। কিন্তু গবেষকেদের পরামর্শ হচ্ছে সকালের পরিমাণ মতো নাস্তা খাওয়ার।
সকালের চা এক কাপ
সকালে এক কাপ চা বা কফি পান করলে আপনার মেজাজ ভালো থাকবে। কিন্তু সকালে উঠে একাধিক কাপ চা কফি পানের অভ্যাস তৈরি হলে ঘুমের ব্যাঘাত হতে পারে আবার শরীরে তার খারাপ প্রভাব পড়তে পারে।
সকালে বার্গার-স্যান্ডউইচ নয়
চকলেট, প্যানকেক, বার্গার, স্যান্ডউইচের মতো উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার সকালের নাস্তায় এড়িয়ে চলুন। উচ্চ ক্যালরির খাবারের পরিবর্তে শসা, ফল, বাদাম প্রভৃতি খেতে পারেন।

সকালের নাস্তা গুরুত্বহীন ভাবা ঠিক নয়
অনেকেই সকালের নাস্তাকে গুরুত্ব দেন না যা আসলে ঠিক নয়। রাতে খাবার ঠিকমতো খেলেও সকালের নাস্তা গুরুত্বপূর্ণ। সকালের কাজে বের হওয়ার তাড়া থাকলেও সকালের নাস্তা সেরে বের হওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। সকালে ঠিকমতো নাস্তা না হলে সারাদিন আলস্য ভর করতে পারে।
সকালের নাস্তায় ডিম ভাজা
সকালবেলা চিনিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়ার চেয়ে ডিমভাজি খাওয়ার পরামর্শ দেন গবেষকেরা। ভাজা ডিমে ট্রাইপটোফ্যান নামের এক ধরনের বিশেষ যৌগের উপস্থিতির কথা জানিয়েছেন গবেষকেরা যা মস্তিষ্কে ভালো অনুভূতির জন্ম দেয়। কলা ও বাদামেও এই যৌগটি রয়েছে। তাই সকালের নাস্তায় এই উপাদানগুলোযুক্ত হলে সারাদিন ভালো কাটতে পারে।

সকাল সকাল গরম গরম রুটির চাইতে ভালো খেতে কী আছে? স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ হলে খেয়ে দেখতে পারেন লাল আটার রুটি। অনেক বাড়িতেই আবার খাওয়া হয় গরম গরম ভাত। রুটি কিংবা ভাত, আপনার সকালের মেন্যুতে যাই থাকুক না কেন, সায়মা সুলতানার এই মুগডালের খাবারটি খেতে লাগবে চমৎকার। চলুন, আলু দিয়ে মজাদার মুগডাল রান্নার রেসিপিটি জেনে নিই। 
যা লাগবে
মুগ ডাল ১ কাপ
সিদ্ধ আলু ১ কাপ
হলুদ হাফ চা চামচ
মরিচ গুঁড়ো ২ চা চামচ
ধনিয়া গুঁড়ো ১ চা চামচ
জিরা গুঁড়ো হাফ চা চামচ
আদা বাটা ২ চা চামচ
আস্ত জিরা ১ চা চামচ
আস্ত সরিষা হাফ চা চামচ
আদা মিহি কুচি ১ চা চামচ
মরিচ কুচি 
ধনিয়া পাতা কুচি
ঘি ২ টেবিল চামচ'
লবণ পরিমান মত
প্রনালি
  • -প্রথমে একটা প্যানে মুগ ডাল নিয়ে হালকা লাল করে ভেজে নিন।
  • -এবার এই ভাজা ডালের সাথে লবণ , হলুদ-মরিচ-ধনিয়া-জিরা গুঁড়ো,আদা-রশুন বাটা , আড়াই কাপ গরম পানি দিয়ে সিদ্ধ বসিয়ে দিন।
  • -ডাল সিদ্ধ হয়ে আসলে এতে সিদ্ধ আলু গুলিকে হাতে ভেঙে ডালের উপর ছিটিয়ে দিয়ে আরেকটু পানি দিয়ে রান্না করুন আর ১৫ মিনিট।
  • -এবার একটা প্যানে ঘি নিয়ে এতে আস্ত জিরা, সরিষা দিয়ে ফুটে উঠলে ডাল এর উপর ফোঁড়ন দিন।
  • -ফোঁড়ন এর পর আদা কুচি,মরিচ কুচি , বেশি করে ধনিয়া পাতা কুচি ছিটিয়ে দিন। আর ১ থেকে ২ মিনিট কম আঁচে রান্না করে নামিয়ে নিন।
  • -রুটি,নান কিনবা ভাতের সাথে পরিবেশন করুন।

সকালের নাস্তা হলো সারাদিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন খাবার। সকালের নাস্তাটা অন্য বেলার খাবারের চাইতে তুলনামূলক স্বাস্থ্যকর এবং ভারী হতে হয়। সারারাত শেষে সকাল বেলা রক্তের গ্লুকোজের পরিমাণ সবচেয়ে কম থাকে। গ্লুকোজ হলো মস্তিষ্কের জ্বালানী। নাস্তা খাওয়ার পর রক্তের গ্লুকোজ স্বাভাবিক হয় এবং মস্তিষ্ক ঠিক মত কাজ করে। তাই প্রতিদিন সকালে স্বাস্থ্যকর এবং ভারী নাস্তা খেলে মস্তিষ্ক পুরোদিনের জন্য তৈরি হয়ে যায় এবং সারাদিন শক্তি পাওয়া যায়। তাই সকালের নাস্তা বাদ দেয়া উচিৎ নয় মোটেও।
সকালের নাস্তার ক্ষেত্রে এক একজন মানুষের এক এক রকম খাবার পছন্দ করে থাকেন। কিন্তু সব ভারী খাবারই স্বাস্থ্যকর নয়। তাই আমাদের জানতে হবে সকালের নাস্তায় কোন খাবারগুলো খাওয়া উচিৎ । এবং সেইসব খাবার খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। এতে করে সকালের নাস্তা আপনাকে পুরো দিন রাখবে প্রানবন্ত এবং দেহ থাকবে সুস্থ।


ডিম
ডিমকে বলা হয় ‘সুপারফুড’। ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং মিনারেলস। প্রোটিনের সব চাইতে ভালো উৎস হচ্ছে ডিম। এবং এতে ক্যালোরিও থাকে বেশ কম। সকালের নাস্তায় অবশ্যই প্রত্যেকের ডিম খাওয়া উচিৎ। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষ হিসেবে সকালে ২ টি ডিম খেলেই যথেষ্ট। তবে যারা একটু বেশি স্বাস্থ্যবান তাদের ডিমের কুসুম এড়িয়ে যাওয়া উচিৎ। সকালে ডিম সেদ্ধ বা ডিমের অমলেট দিয়ে নাস্তা সারতে পারেন।


সবজি খিচুড়ি
যারা ভাত জাতীয় খাবার খেয়ে অভ্যস্ত তারা ভাতের বদলে সকালের নাস্তায় রাখতে পারেন খিচুড়ি। তবে অবশ্যই সবজি খিচুড়ি। চালের পরিমাণ কমিয়ে বেশি পরিমাণে সবজি দিয়ে রান্না করা সবজি খিচুড়ি দিয়ে সেরে নিতে পারেন সকালের নাস্তা। এতে করে ভারী নাস্তা করা হলেও দেহে পৌঁছাবে পুষ্টি।


ফলমূল
সকালের নাস্তার জন্য সব চাইতে ভালো খাবার হচ্ছে ফলমূল। কলা, আপেল, কমলা, স্ট্রবেরি, আঙুর ইত্যাদি ধরণের ফলমূল অথবা মৌসুমি ফলমূল দিয়ে সকালের নাস্তা করা সব চাইতে ভালো। ২ টি কলা, ১ টি আপেল, ১ টি কমলা, ২/৩ টি স্ট্রবেরি এভাবে শুধুমাত্র ফল দিয়ে নাস্তা করা সকালের জন্য ভালো। চাইলে ফলমূল দিয়ে সালাদের মত তৈরি করেও খেতে পারেন।


আটার রুটি
সকালের নাস্তার জন্য বেশ ভালো একটি খাবার হচ্ছে আটার রুটি। বিশেষ করে যারা ভারী খাবার পছন্দ করেন। সকালে পাউরুটি বা ভাত খাবার চাইতে আটার রুটি সবজি ভাজি বা ডিম অথবা ঝোলের তরকারি কিংবা কলা দিয়ে খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ভালো। এছাড়া রুটি বেশ ভালো এনার্জি সরবরাহ করে আমাদের দেহে যা পুরো দিনই রাখবে সতেজ। তবে অবশ্যই তেলে ভাজা পরটা থেকে দূরে থাকবেন।


সালাদ 
সালাদ শুনে চোখ কপালে তোলার কোন কারণ নেই। সালাদ মানেই যে শসা, টমেটো এবং গাজরের হতে হবে এমন কোন কারণ নেই। স্বাস্থ্যের জন্য ভালো এই সকল সবজির সাথে সালাদে ব্যবহার করতে পারেন সেদ্ধ ডিম বা সেদ্ধ মাংস অথবা সেদ্ধ ছোলাবুট। এছাড়া খেতে পারেন ফলমূলের সালাদ। এইসব ধরণের সালাদ স্বাস্থ্যের জন্য ভালো এবং দিনের শুরুটা চমৎকার করতে বেশ কার্যকরী।


ওটস
ওটস জিনিসটা খেতে ভালো না লাগলেও এটি আমাদের দেহের জন্য অনেক ভালো একটি খাবার। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। ওজন কমাতে এবং কলেস্টোরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে ওটসের জুড়ি নেই। সকালে হাবিজাবি খাবার বাদ দিয়ে একবাটি ওটস রাখুন। তবে কোন ফ্লেভারড বা চিনিযুক্ত ওটমিল খাবেন না। চিনির পরিবর্তে মধু এবং সাথে কিছু ফলমূল যোগ করে নিতে পারেন।


দই
দিনের শুরুটা দই দিয়ে শুরু হোক অনেকেই তা চান না। কিন্তু দই দেহের জন্য অনেক বেশি কার্যকরী একটি খাবার। এবং এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম যা হাড়ের গঠনে কাজ করে। দিনের শুরু দই দিয়ে করলে পুরো দিন আপনার দেহে থাকবে অফুরন্ত এনার্জি। ক্লান্তি স্পর্শ করবে না দিনের শেষেও। সুতরাং সকালের নাস্তায় কিছু ফলমূলের পাশাপাশি রাখুন দই।


অনেক বাচ্চাই সকালে খাবার খেতে চায় না, যদিও বেশিরভাগই বাচ্চারাই খাবার খাওয়া নিয়ে অনেক কাহিনী করে তাই এই নিয়ে মা-বাবার চিন্তা ও উপক্রমের শেষ নেই। সকালের খাবার সবার জন্যই খুব গুরুত্বপূর্ণ।
বাচ্চাকে সকালে কি নাস্তা দিবেন? কেমন খাবার তার পছন্দ? কি খেলে তার ভাল লাগবে, কেমন খাবার খেলে সে যেথেষ্ট পরিমাণ পুষ্টি পাবে এই নিয়েই ভাবেন অনেকে।
আসুন জেনে নেই বাচ্চাদের সকালে খাবার নিয়ে কিছু কথা –
কেমন নাস্তা চাই শিশুর জন্য?
সকালের খাবার সারাদিনের শারীরিক এবং মানসিক শক্তির যোগান দেয়। ব্রেকফাস্টে দানাদার এবং আঁশযুক্ত খাবারে শিশুর মনোযোগ শক্তি এবং স্মরণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় যা শিশুর সুস্থ্যতার অতিমাত্রায় দরকারি।
সকালে চিনিযুক্ত খাবার কম খেয়ে ডিম খাওয়া প্রয়োজন। এর মধ্যে থাকা উপাদান মস্তিষ্ককে সচল রাখে। এছাড়াও আছে কলা ও বাদাম। তাই সকালের নাস্তায় এই উপাদানগুলোযুক্ত হলে দিনের প্রয়োজনীয় সকল পুষ্টিগুণ দিনের শুরুতেই পাওয়া সম্ভব।
বাচ্চাদের যদিও পছন্দ হলো চকলেট, প্যানকেক, বার্গার, স্যান্ডউইচের মতো উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার তবুও দিনের শুরতেই এই ধরণের খাবার সকালে এড়িয়ে চলুন। উচ্চ ক্যালরির খাবারের পরিবর্তে শসা, ফল, বাদাম প্রভৃতি খেতে পারেন।

কেমন উপাদান থাকবে সকালের নাস্তায়?  
সকালের খাবারে সুষম খাবার অর্থাৎ শর্করা, আমিষ বা প্রোটিন এবং ফাইবারের সমন্বয় রাখুন। ফলে দিনের শুরুতেই ভাল স্বাস্থ্যবান খাবার পাবে আপনার বাবু। সকালের নাস্তা খাওয়ার জন্য  প্রায় ৩০-৪০ মিনিট আগেই ঘুম থেকে উঠে যান এটি স্বাস্থ্যের পক্ষে উপাদেয়।
তাজা ফলমূল, কলা, এবং অন্যান্য সব খাবার আগের রাতে খাওয়ায়র জন্য টেবিলে আগে থেকেই রাখুন। গবেষকেদের পরামর্শ অনুযায়ী সয়াক্লে ব্লেন্ড করা জুসের পরিবর্তে ফল খান এবং সঙ্গে এক গ্লাস পানি। জুস তৈরি করলে ফলের ভিটামিন, মিনারেল ও ফাইবার নষ্ট হয়ে যায়।

ছবি: সংগৃহীত
সকালটা আমাদের দারুণ ব্যস্ততায় কাটে। সবার জন্য নাস্তা তৈরিতে বেশ খানিকটা সময় প্রয়োজন হয়। আবার সারাদিনের কাজের শেষে সন্ধ্যায়ও চাই হালকা কোনো খাবার। প্রতিদিন একই ধরনের আইটেম পছন্দ করেন না অনেকেই। তাই পরিবারের সবার খাবারের স্বাদ বদলে দিতে খুব দ্রুত তৈরি করতে পারেন এমনই পুষ্টিকর ও মজার নাস্তার রেসিপি আজ আপনাদের জন্য:

চিজ টোস্ট
উপকরণ: 
পাউরুটি ৮ টুকরো, লাল, হলুদ, সবুজ ক্যাপসিকাম কুচি ১কাপ, টমেটো কুচি ‍১ কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, চিজ(পনির) গ্রেট আধা কাপ, শুকনা মরিচ টেলে গুঁড়ো করা পছন্দ মতো।
যেভাবে করবেন: ছোট কিউব করে ক্যাপসিকাম ও পেঁয়াজ কেটে নিন। পাউরুটির ওপরে সবজি ও পেঁয়াজ দিয়ে চিজ দিন। এবার ওভেনে দিয়ে চিজ গলে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
মরিচ গুঁড়া ও পছন্দের সসের সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করুন।
বাচ্চাদের টিফিনে এই টোস্ট দিতে চাইলে মুরগির বুকের মাংস, গাজর, বেবিকর্ন যোগ করতে পারেন।

ভেজিটেবল লোফ
উপকরণ: 
মাখন ২ টেবিল চামচ, গাজর কুচি ১ কাপ, স্কোয়াশ কুচি আধা কাপ, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, রসুন কুচি ১ চা চামচ, ময়দা আধা কাপ, মরিচ কুচি ১ টেবিল চামচ, আধা চা চামচ মৌরি, ধনিয়া পাতা কুচি ১ চা চামচ, আধা চা চামচ গোলমরিচ গুঁড়া, ডিম ৬টি, আধা কাপ নারকেল দুধ, আধা চা চামচ বেকিং পাউডার, লবণ স্বাদ মতো।
৩৫০ ডিগ্রি ফারেনহাইটে ১০ মিনিট ওভেন প্রিহিট করুন।

প্রণালী: মাখন একটি পাত্রে নিয়ে হালকা তাপে গরম করে নিন। এবার গাজর, পেঁয়াজ, রসুন দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে নিন। সবজিতে মৌরি, লবণ এবং মরিচ নামিয়ে ঠাণ্ডা করুন।
একটি পাত্রে ডিম এবং নারকেল দুধ বিট করে ময়দা ও বেকিং পাউডার মেশান। ময়দার  মিশ্রণে সবজি দিয়ে মিশিয়ে নিন।
পাত্রে মিশ্রণ ঢেলে ৪৫মিনিট বেক করুন। ওভেন থেকে বের করে ১০ মিনিট ‍অপেক্ষা করুন ঠাণ্ডা হওয়ার জন্য। পিস করে সস দিয়ে পরিবেশন করুন।
ফুলকপি, ব্রকলি, টমেটো, পেঁয়াজ কলি, ক্যাপসিকাম পছন্দমতো যে কোনো সবজি ব্যবহার করতে পারেন।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget