Halloween Costume ideas 2015

Behiond The Seen of Bangladesh

Articles by "স্বাস্থ কথন"

স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে প্রতি ৭৫ সেকেন্ডে একজন নারী প্রাণ হারাচ্ছেন। এছাড়া প্রতি ২৯ সেকেন্ডে একজন করে স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছেন। সম্প্রতি এক গবেষণা প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

টাইমস অব ইন্ডিয়ায় প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, উন্নত চিকিৎসার দেশ ভারতে স্তন ক্যানসারে আক্রান্তের চিত্রটা আরো ভয়াবহ। যা উন্নত বিশ্বের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চেয়েও দ্বিগুণ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রোগের লক্ষণ ধরতে না পারার কারণেই মূলত এই রোগের বিস্তার ঘটে। সাধারনত স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণগুলো ধীরে ধীরে প্রকাশ পায় বলে জানান মেডিয়ান্টা ব্রেস্ট সার্ভিস এর সহযোগী অধ্যাপক ড. কাঞ্চন কাউর।

পশ্চিমা নারীদের তুলনায় ভারতীয় উপমহাদেশের নারীদের সচেতনতার অভাব এবং গোপন করার প্রবণতাই এই রোগের বিস্তার বাড়ায়। মেডিয়ান্টা মেডিসিটি হসপিটালের রেডিওলোজিস্ট এর সিনিয়র কনসালটেন্ট ড. জয়িতা অরোরা বলেন ‘উদ্বেগজনক হারে ভারতে বয়স্ক নারীদের তুলনায় মধ্যবয়সী নারীরা(৩৯-৪০)স্তন ক্যানসারে বেশি আক্রান্ত হয়।’

স্তন ক্যানসার গুপ্ত ঘাতকের মত লুকিয়ে থাকে এবং ধীরে ধীরে প্রকাশ পায়। একমাত্র সচেতনতাই এ রোগের বিস্তার রোধ করতে পারে। বিশ্বব্যাপী এ রোগের বিস্তার রোধে নারীদেরকে আরও সচেতন হতে হবে। কোন লক্ষণ প্রকাশ পেলে তা লুকিয়ে না রেখে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিবেন। এমনকি যারা আক্রান্ত হয়েছেন তারাও পারেন অন্যদের সচেতন করতে।

বিয়ের পর বা আগে অনেকেই সঙ্গিনীর সঙ্গে যৌন মিলনে মিলিত হন৷ কিন্তু অধিকাংশই জানেন না যৌন মিলনের ফলে কী কী উপকার হয়ে থাকে৷
ভালো ব্যায়াম : স্বামী-স্ত্রীর সহবাসে বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সঞ্চালিত হয়৷ তার ফলে যৌন মিলন একপ্রকার ব্যায়ামের কাজ করে৷ পাশাপাশি শারীরিক মিলনের ফলে শরীর থেকে প্রচুর ক্যালোরি খরচ হয়, ফলে কোলেস্টেরলের মাত্রা কম হয়, রক্তপ্রবাহ ভালো হয় বলে গবেষকরা জানিয়েছে৷গবেষকরা জানিয়েছে, এক সপ্তাহ নিয়মিত হাঁটা-চলা করলে যে পরিমান ক্যালোরি খরচ হয়, সপ্তাহে তিন দিন নিয়মিতভাবে শারীরিক মিলনে লিপ্ত হলে আপনার সেই পরিমান ক্যালোরি খরচ হবে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় : রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ক্ষেত্রে বা আমাদের ইমিয়্যুন সিস্টেম ঠিক রাখতে সাহায্য করে শারীরিক মিলন৷ রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে এটি থেরাপির মত কাজ করে, এর মাধ্যমে পাচন কার্য ঠিক হওয়ার ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে৷

ব্যাথা থেকে মুক্তি : গনেষণায় দেখা গিয়েছে, যৌন মিলনের ফলে মাথা এবং হাড়ের জয়েণ্টের ব্যাথার ক্ষেত্রে আরাম পাওয়া যায়। ওর্গাজমের আগে অক্সিটোসিন হর্মোনের স্তর সামান্য থেকে পাঁচ গুন বেঁড়ে যাওয়ায় এণ্ড্রোফিন হর্মোন নিঃসৃত হতে থাকার ফলে মাথা ব্যাথা, মাইগ্রেন আর আর্থারাইটিসএর ব্যাথা থেকে আরাম পাওয়া যায়৷ তাই ব্যাথা কমানোর ওষুধ না খেয়ে শারীরিক মিলনের আনন্দ উপভোগ করুন আর ব্যাথা থেকে নিষ্কৃতি পান।

কর্ম ক্ষমতা বাড়ে : শারীরিক মিলনের সময় শরীর থেকে প্রচুর পরিমানে হরমোন নিঃসরণ হয়৷ যার ফলে দু’জনেরই কার্য ক্ষমতা বাড়ে৷পাশাপাশি নিয়মিতভাবে শারীরিক মিলনের ফলে যৌবন বাড়ে বলেই মত গবেষকদের৷ শারীরিক মিলনের ফলে ব্যক্তি সারাদিন স্ফুর্তি অনুভব করে। সারাদিনের কাজে এই স্ফুর্তির প্রভাব দেখা যায়। এর দ্বারা সারাদিনের ক্লান্তি থেকে এবং নানা রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

ভালো ঘুম হয় : শারীরিক মিলনের শরীর থেকে অক্সিটসিন হরমোন রিলিজ হয়, ফলে মিলনের পরে ঘুমও খুব ভালো হয়৷ তাই যাদের ঘুমের ক্ষেত্রে কোন অসুবিধা আছে তারা অতি অবশ্যই এই পদ্ধতি অবলম্বন করে উপকার পাবেন।

ওজন কমে : যৌন মিলনের ফলে প্রচুর পরিমান ক্যালোরি কম হয়, তার ফলে ব্যক্তির ওজন কমে। নিয়মিতভাবে শারীরিক মিলনের ফলে পেটের স্থূলতা হ্রাস পায়, আর মাংসপেশীতে জড়তা কম দেখা যায়। অনেকে লক্ষ টাকা ব্যয় করেন ওজন কমানোর জন্য৷ এ ক্ষেত্রে তারা উপকার পাবেন।

সৌন্দর্য্য বাড়ে : শারীরিক মিলনের হরমোন নিঃসরনের ফলে রক্তপ্রবাহের মাত্রা বেড়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে ত্বকের ওপর। শারীরিক মিলন কালে নারীদের শরীর থেকে এস্ট্রোজেন হরমোন নিংসৃত হতে থাকে, যার দ্বারা তাদের চুল এবং ত্বক উজ্জ্বল আকর্ষনীয় হয়ে ওঠে।

স্বাস্থ্য বাড়ানোর কোন সহজ উপায় নেই। অনেকেই স্বাস্থ্য বাড়ানোর জন্য জেনে না জেনে স্টেরোয়েড জাতীয় ঔষধ খেয়ে থাকেন। জার কারনে শরীরে পানি জমে দেখতে ফোলা দেখা যায়। কিন্তু শরীরের ব্যপক ক্ষতি সাধিত হয়। তাই রাস্তা থেকে বা চটকদার বিজ্ঞাপন দেখে হারবাল জাতীয় ঔষধ খাবেন না। ওজন বাড়ানোর জন্য সুসম খাদ্য ও নিয়মিত হাল্কা ব্যাম করে যেতে হবে। ধন্যবাদ।


একটি কথা প্রায়ই শোনা যায়, ‘আমার স্ত্রীতো অসুস্থবা অমুক ভাবী, খালা অসুস্থ। কেন, কী হয়েছে, কেন জানেন না, উনার তো বাচ্চা হবে। মেয়ে মাত্ররই তো মা হবে, এটাই প্রাকৃতিক নিয়ম। এটা তো আর ৫-১০টা রোগের মতো অসুস্থতা নয়। বাচ্চা হওয়াটা শরীরের একটা অবস্থা মাত্র। এটা কোন রোগ নয়। কাজেই প্রথম থেকে মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলা উচিত এই ভাবনা।
এজন্যই চিকিত্সকগণ বলেন, মা হওয়ার আগে শারীরিক-মানসিক প্রস্তুতির বিশেষ প্রয়োজন আছে।  প্রাপ্ত বয়স্ক একজন নারী যখন মানসিকভাবে প্রস্তুত হবেন মা হওয়ার জন্য তখনই তারসন্তানধারণ করা উচিত। তার আগে নয়। কাজেই সন্তান ধারণের আগে একজন মায়ের যেমন প্রস্তুতি আছে, তেমনি পরিবারের আর সবারও আছে। নিচে গর্ভকালীন কিছু জটিলতার কথা উল্লেখ করা হলো। নূন্যতম প্রস্তুতি এবং সচেতনতা থাকলেও এগুলো মোকাবিলা করা তেমন কোন সমস্যা নয়। তবে জানা থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেমন-
·         রক্ত স্বল্পতা, জন্ডিস, খিঁচুনি, পা ফুলে যাওয়া, উচ্চ রক্তচাপ, অতিরিক্ত বমি হওয়া, পেটে ব্যথা, বিশেষ করে তলপেটে ও শ্বাসকষ্ট হওয়া।
·         প্রায়ই জবর হওয়া
·         ডায়াবেটিস ধরা পড়া বা রক্তে সুগার পাওয়া
·         প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া হওয়া
·         প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া বা একেবারেই বন্ধ হয়ে যাওয়া
·         দিন যাচ্ছে কিন্তু তলপেটের আকার বাড়ছে না
·         যোনিপথে রক্ত ক্ষরণ, রক্তস্রাব, দুরগন্ধযুক্ত স্রাব
·         জরায়ুর ভিতরে সন্তানে চড়াচড়া অনুভব করতে না পারা।
উপরোক্ত এই সমস্যাগুলো দেখা দিলে কোন রকম চিন্তা না করে চিকিত্সকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরী।
কি কি কারণে গর্ভধারণ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে
আগেই বলেছি মা হওয়ার জন্য বয়সটা খুব জরুরি।
·         ১৮ বছর বয়স না হতেই গর্ভধারণ
·         ৩০ বছরের পর প্রথম সন্তান নেয়া
·         ৪০ বছরের পর সন্তান ধারণ
·         চতুর্থ সন্তানের পর আবারও সন্তান ধারণ
·         আগের গর্ভের সময় জটিলতা হওয়া
·         অস্ত্রোপচারের পর নির্দিষ্ট সময় পার না হতেই আবার গর্ভধারণ করা।
·         মেয়েদের উচ্চতা, তুলনামূলক বেঁটে বা খাটো মেয়েদের গর্ভধারণ
·         রক্তস্বল্পতা ও যমজ সন্তান ধারণ।
গর্ভাবস্থায় প্রিএক্লামশিয়া (Pre Eclampsia)

এটি একটি অন্যতম জটিলতা। এক্ষেত্রে মায়ের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ, প্রস্রাবে প্রোটিন, উপরের পেটে ব্যথা, বমি হওয়া, মাথা ব্যথা ইত্যাদি দৃশ্যত বেশ কিছু জটিলতা এসময় তৈরি হয়। গর্ভফুল বা প্লাসেন্টার কিছু সমস্যা এবং রক্ত সরবরাহের ঘাটতির কারণে দেখা দেয় এই এক্লামশিয়া। এগুলে া সাধারণত: হয় তখনই যখন আপনি প্রথম বারের মত মা হচ্ছেন, আপনার ওজন বেশি, বয়স ৪০ এর বেশি, আপনার উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস অথবা কিডনির সমস্যা আছে। আপনার পরিবারের অন্য কারো এক্লামশিয়া ছিলো অথবা আপনি বহুবার অন্তসত্মা হয়েছেন।

গর্ভফুল বা প্লাসেন্টা সমস্যা

সাধারণত: এর কোন লক্ষণ দেখা যায় না। একমাত্র স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমেই এটা ডায়াগনসিস করা সম্ভব হয়। তবে যোনিপথে রক্তক্ষরণ হলে শনাক্ত করা সম্ভব হয়। গর্ভফুল সাধারণত আংশিক বা পুরোপুরি ঢেকে ফেলে জরায়ুর মুখকে। প্রস্রব ব্যথা শুরুর পর জরায়ুর মুখ যখন খুলে যায়, তখন গর্ভফুল ক্রমেই সরে আসতে থাকে গর্ভাশয়ের দেয়াল থেকে। এসময়টা তাদের জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ যারা অধিক সন্তান জন্ম দিয়েছেন, জরায়ুতে এর আগে অপারেশন করা হয়েছে অথবা আগের সন্তান যদি সিজারিয়ান-এর মাধ্যমে হয়ে থাকে।

গর্ভাবস্থায় রিলাক্সিন হরমোন জয়েনগুলোকে অনেকটাই শিথিল করে দেয়। কিন্তু এটা যদি বেশি পরিমাণে হয়, তখন তা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যেমন-কোমরের জয়েন্টের ওপরে ব্যথা, পিউবিক হাড় এবং পিঠের নিচে ব্যথা হতে পারে এ কারণে। গর্ভাবস্থায় যে কোনো সময়ে এটি হতে পারে। তবে প্রথম তিন মাসের পর এটি হতে দেখা যায়।

গর্ভাবস্থায় চুলকানি

অনেকের গর্ভাবস্থায় হাতে-পায়ে  হতে পারে। এটা সাধারণত যকৃতের সমস্যার কারণে হয়ে থাকে। এটা যে কারও হতে পারে। তবে পরিবারের মা বা বোনের এরকম ইতিহাস থাকলে এটা হওয়া খুবই স্বাভাবিক।

গর্ভাবস্থায় মায়ের ওজন

এটি একটি অন্যতম বিবেচ্য বিষয়। নির্দিষ্ট অনুপাতে ওজন না বাড়া হচ্ছে সন্তানের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যহত হওয়া বা মায়ের সঠিক পুষ্টির অভাব। এর মানে মাকে প্রয়োজনীয় খাবারগুলো সুষম খাবার খাওয়া একান্ত আবশ্যক। একজন নারীর স্বাভাবিক অবস্থায় যে পরিমাণ সুষম খাবার প্রয়োজন, সেই তিনিই যখন সন্তান ধারণ করেন তখন তার চাহিদা আরও বেড়ে যায়। প্রসূতি মায়েদের ক্ষেত্রেই খাবারটা খুবই জরুরি।
গর্ভবতী নারীর অতিরিক্ত খাবার প্রয়োজন হয় প্রধানত: দুটি কারণে।
এক-নিজের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে, অর্থ্যাত্ আসন্ন সন্তান প্রসবের জন্য নিজেকে তৈরি করতে।
দুই-গর্ভস্থ ভ্রুণের গঠন ও বৃদ্ধি ঠিক রাখতে।
মা যদি খাবার কম খান তাহলে সন্তানের ওজনও বাড়বে না, প্রয়োজনীয় পুষ্টি থেকে বঞ্চিত হবে। শেষ পর্যন্ত একটি অপরিণত শিশুর জন্ম হবে। একটা কথা মনে রাখতে হবে, যেকোন জটিলতা এড়াতে নিয়মিত চিকিত্সকের কাছে যাওয়ার কোন বিকল্প নেই। যেকোন কিছুই হোক না কেন, তা চেক-আপে ধরা পড়বেই। আর তাহলে চিকিত্সাও সম্ভব হবে। আর রোগীর মনকেও অনেকখানি প্রশান্তি দেওয়া সম্ভব হবে। সুতরাং একটি সুস্থ-সুন্দর ভবিষ্যত গড়তে মায়েদের প্রতি যত্নশীল হওয়ার কোন বিকল্প নেই।


‘মোবাইল ফোন ব্যবহারে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায় না’


মোবাইল ফোন ব্যবহারের সঙ্গে মস্তিষ্ক ক্যান্সারের কোনো সম্পর্ক নেই। অস্ট্রেলিয়ায় গত ২৯ বছরে মোবাইল ফোন ব্যবহারের সংখ্যা বিপুল পরিমাণে বাড়লেও মস্তিষ্ক ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা সে তুলনায় বাড়েনি। অস্ট্রেলিয়ায় গত ৩০ বছর ধরে পরিচালিত স্বাস্থ্য-সমীক্ষায় এ সব তথ্য উঠে এসেছে।

এ জরিপে বলা হয়েছে, ১৯৯৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার ৯ শতাংশ মানুষ মোবাইল ফোন ব্যবহার করলেও এখন ব্যবহার করে দেশটির ৯০ শতাংশ মানুষ। আর এ সময়ের মধ্যে ২০ থেকে ৮৪ বয়সী পুরুষদের মধ্যে ক্যান্সারের প্রকোপ সামান্য বাড়লেও নারীদের ক্ষেত্রে তা স্থিতিশীল রয়েছে। অবশ্য বয়সিদের মধ্যে ক্যান্সারের প্রকোপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। কিন্তু এর সূচনা হয়েছে ১৯৮৭ সালে অর্থাৎ অস্ট্রেলিয়ায় মোবাইল ফোন আসারও পাঁচ বছর আগে থেকে।

এ সমীক্ষা চালিয়েছেন, সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সিমন চ্যাপমেন। তিনি বলেছেন, মোবাইল ফোনের বিকিরণ ডিএনএ’র জন্য ক্ষতিকারক বলে যে প্রচলিত ধারণা রয়েছে কিন্তু এ সমীক্ষায় দেখা গেছে মোবাইল ফোনের সঙ্গে ক্যান্সারের কোনো সম্পর্ক নেই।#

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget